বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির নিয়ম এবং উপায়

বিদেশ থেকে মালামাল আনার নিয়ম এবং উপায় জানব।আজকাল ব্যবসায়িক দিক থেকে বিদেশ থেকে পণ্য আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।অনেক ব্যবসায়ী তার চাহিদা অনুযায়ী বিদেশ থেকে পণ্য এনে বাজারে বিক্রি করে লাভবান হয়।কেউ নিজের প্রয়োজনে জিনিস এনে ব্যবহার করছে ।

বিদেশ-থেকে-পণ্য-আমদানির -নিয়ম
বিদেশ থেকে পণ্য আনার জন্য কিছু নিয়ম আইন এবং সঠিক প্রক্রিয়া মানা আবশ্যক। সঠিক পরিকল্পনা এবং সক্রিয় না থাকলে পূর্ণ সময় মত না আসা অতিরিক্ত সুল্ক বা কাস্টমের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।ব্যবসায়িক দিক থেকে পণ্য আনার আগে সমস্ত ধাপ ভালোভাবে জানা জরুরি।

পণ্যের ধরন এবং লক্ষ্য বাজার নির্ধারণ

বিদেশ থেকে কোন পণ্য আনা প্রথম ধাপ হল পণ্যের ধরন এবং লক্ষ্য বাজার নির্ধারণ করা। কোন পণ্য আগে আনা হবে তা ঠিক করতে হবে। পণ্যের চাহিদা বিশ্লেষণ করতে হবে কোন পণ্যটার বাজারে এর মূল্য অধিক। প্রথমে বুঝতে হবে যে কোন পণ্যের চাহিদা বেশি যেমন পোশাক ইলেকট্রনিক প্রসাধনে বা খাদ্য সামগ্রী। তারপরে দেখতে হবে পণ্যটির লাভ। পণ্যটির দাম এবং স্থানীয় বাজারে বিক্রি সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে। এছাড়াও লক্ষ গ্রাহক বা বাজারের নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ। পণ্যের চাহিদা লাভ এবং স্থানীয় বাজারে বিক্রি সম্ভাবনা বিবেচনা করে পণ্যনির্বাচন করতে হবে। ব্যবসায়ীকে বুঝতে হবে পণ্যটি সাধারণ মানুষের জন্য নাকি হোলসেল ব্যবসার জন্য। সঠিকভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ করলে ব্যবসায়িক ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়।

আনদানির আইন এবং নিয়মকানুন

পণ্য নির্ধারণের পরে পরে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমদানি আইন এবং নিয়মকানুন মেনে চলা।বিদেশ থেকে পণ্য বা মালামাল আনার সময় কিছু নিয়ম ফলো করতে হবে। যেগুলো নিয়ম না মানলে মালামাল বা পণ্য আনা সম্ভব নয়। এজন্য নিয়মগুলো মানা আবশ্যক। যেমনবাংলাদেশের আমদানি করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম আছে। কাস্টমস আইন অনুযায়ী কিছু পণ্য অনুমোদিত এবং কিছু পণ্য নিষিদ্ধ। পণ্য আমদানি করার আগে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে এটি অনুমোদিত এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স আছে কিনা। কিছু পণ্যের জন্য সরকারি অনুমোদন প্রয়োজন হয় এমন কিছু পণ্য দেশে আনা আইনত নিষিদ্ধ। এছাড়াও শুল্ক ও ট্যাক্সের হার আগে থেকে জানা থাকা জরুরী। তাই নিয়ম গুলো না জেনে পণ্য আনা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

বিশ্বাসযোগ্য সরবরাহকারী এবং উৎস নির্বাচন

বিদেশ থেকে পণ্য আনার জন্য বিশ্বস্ত সরবরাহকারী নির্বাচন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এতে বিদেশ থেকে পণ্য আনার সময় প্রতারণা চক্করে পড়তে হবে না। তাই পণ্যনির্বাচন করার আগে অবশ্যই বিশ্বাসযোগ্য এবং অভিজ্ঞতা আর সেই সাথে মালামাল সরবরাহকারী মান যাচাই করা উচিত। আর সে সাথে এটাও দেখতে হবে মালামালের কোয়ালিটি কেমন। যেমন আলী এক্সপ্রেস, আলিবাবা এবং আমাজন বা সরাসরি উৎপাদনকারের ফ্যাক্টরি থেকে পূর্ণ সংগ্রহ করা যায়। পণ্যের দাম মান এবং সিপিং শর্ত নিয়ে সরবরাহকারী সাথে বিস্তারিত আলোচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। ভালো এবং বিশ্বাসযোগ্য লোক বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করলে ব্যবসায়িক ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

অর্ডার এবং চুক্তির প্রক্রিয়া

একবার সরবরাহকারী ঠিক হলে অর্ডার এবং চুক্তের প্রক্রিয়ায় শুরু করা যায়। প্রথমে প্রোফর্মা ইন ভয়েস তৈরি করতে হবে যাতে পণ্যের দাম পরিমাণ শিপিং খরচ এবং ডেলিভারি সময় উল্লেখ থাকে। পণ্য কেনার জন্য আপনি আপনার ক্লাইন্টকে টাকা দিবেন সে পেমেন্ট পদ্ধতি নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন advance পেলেমেন্ট এলআইসি লেটার অফ ক্রেডিট বা টি/টি চুক্তিতে সব শর্তবলী লিখে রাখা ব্যবসায়িক নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন। যাতে করে পরবর্তীতে আপনার মালামাল নিয়ে যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে আপনি প্রমাণ এর জন্য দেখাতে পারবেন। বা টাকা-পয়সা নিয়ে কোন সমস্যা হলে সেটা সমাধান খুব দ্রুত হয়ে যাবে।

শিপিং এবং পরিবহন ব্যবস্থা

মালামাল দেশে আনার জন্য শিপিং বা পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পণ্য কোন পথে কত সময় এবং কত খরচে দেশে পৌঁছাবে এই বিষয়গুলো পুরো ব্যবসার লাভ বা ক্ষতির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। সাধারণত পণ্য বিমান, সাগরপথ, রেল বা সড়ক পথে আনা যেতে পারে। বড় ভারী পণ্যের জন্য সাগর পথ সবচেয়ে কম খরচ হলো এতে সময় বেশি লাগে। আর যদি এমার্জেন্সি বা দ্রুত মালামালের প্রয়োজন হয় তাহলে বিমান পথ ব্যবহার হয়। তবে তুলনামূলকভাবে এর খরচ তা বেশি পরে। আবার কার্গো বুকিং করা,শিপিং ডকুমেন্ট তৈরি করা এবং বীমা রাখা নিরাপদ।

আরো পড়ুনঃ বিদেশি স্কলারশিপ

শিপিং চলাকালীন এর মালামালের ক্ষতি বা বিলম্বের সম্ভাবনা থাকায় বীমা রাখা নিরাপদ। এছাড়াও ট্র্যাকিং সিস্টেমের ব্যবহার করে পণ্যের অবস্থান জানা যায় যা ব্যবসায়িক মানসিক নিশ্চয়তা দিয়ে এবং সময়মতো পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে। সঠিক শিপিং পরিকল্পনা ও দক্ষ পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পারলে মালামাল নিরাপদে কম খরচে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে পৌঁছানো সম্ভব হয় যা একটি সফল আমদানি ব্যবসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স

বিদেশ থেকে পুর্নদেশে পৌঁছানোর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল শুল্ক ছাড় বা কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারিভাবে যাচাই করা হয় পণ্যটি বৈধ কিনা। সঠিক তথ্য দিয়ে ঘোষণা করা হয়েছে কিনা এবং নির্ধারিত সুল্ক কর ও ফি পরিশোধ করা হয়েছে কিনা। শুল্ক ছাড়ের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র প্রস্তুতি রাখতে হয়। যেমন বাণিজ্যিক চালান পণ্যের দাম ও বিবরণের সংক্রান্ত কাগজ প্যাকেটের তালিকা কোন প্যাকেটে কি আছে তার বিবরণ পরিবহন সনদপত্র জাহাজ বা বিমানের মাধ্যমে আনার প্রমাণ পত্র এবং আমদানি লাইসেন্স সরকারি অনুমতিপত্র।

মালামালের ধরন পরিমাণ ও ঘোষিত মূল্যের ভিত্তিতে কাস্টমস কৃতপক্ষে শুল্ক মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট এবং অন্যান্য চার্জ নির্ধারণ করে। যদি কাগজপত্রে ভুল থাকে বা তথ্য গোপন করা হয় তাহলে মালামাল আটকে যেতে পারে অথবা দেরি হতে পারে কিংবা অতিরক্ত জরিমানা দিতে হতে পারে। অনেক সময় কর্তৃপক্ষ মালামাল শারীরিকভাবে পরীক্ষা করে দেখে যাতে ঘোষিত তথ্যের সাথে পণ্যের বাস্তব অবস্থার মিল রয়েছে কিনা তার নিশ্চিত করা যায়।

সাধারণত একজন অভিজ্ঞ সুল্ক ছাড় এজেন্ট বা আমদানি কারীর মাধ্যমে এ কাজ করালে পুরো প্রক্রিয়া সহজ হয় ঝামেলা কমে এবং সময় বাঁচে সঠিকভাবে সুল্ক ছাড় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে পণ্য দ্রুতগামী নেয়া যায় এবং ব্যবসার কাজে স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে যায়।

ডেলিভারি এবং গুদামজাত করন

শুল্ক ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল পণ্য ডেলিভারি গ্রহণ করা এবং তা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা। এ পর্যায়ে প্রথমে নিশ্চিত করতে হয় যে কাস্টমস এলাকায় থেকে পণ্য নিরাপদ ভাবে বের করে ব্যবসায়ী গন্তব্যে পৌঁছানো হচ্ছে। পরিবহন কালে মালামাল যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেই জন্য উপযুক্ত যানবাহন নির্বাচন করার এবং সতর্কতার সাথে লোড আনলোড করা অত্যন্ত জরুরী। মালামাল হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিমাণ অবস্থা ও মান ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।যাতে কোন ঘাটতি বা ত্রুটি থাকলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

এরপর মালামাল গুদামে সংরক্ষণের সময় পরিষ্কার শুকানো ও নিরাপদ পরিবেশে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কারণ সঠিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকলে মালামালের মান নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ব্যবসার সুবিধার্থে গুদামে মালামাল সাজিয়ে রাখা শ্রেণীভিত্তিক ভাগ করা এবং হিসাব সংরক্ষণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে প্রয়োজনে দ্রুত মালামাল বের করা যায় এবং স্টক নিয়ন্ত্রণের সহজ হয়। ডেলিভারি ও সুশৃঙ্খলা ব্যবস্থার কার্যক্রমকে গতিশীল করে এবং দীর্ঘমেয়াদি কমে লাভ বাড়াতে সহায়তা করে।

খরচ এবং বাজেট পরিকল্পনা

বিদেশ থেকে ব্যবসায়িক মালামাল আনার ক্ষেত্রে খরচ এবং বাজেট পরিকল্পনা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কারণ এখানে মূলত লাভ বা ক্ষতির হিসাব নির্ধারিত হয়। মালামাল কেনার মূল দামের পাশাপাশি শিপিং খরচ, শুল্ক, কর, পরিবহন খরচ, গুদাম ভাড়া এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিক খরচ আগে থেকে হিসাব করে নেয়া প্রয়োজন। অনেক সময় ব্যবসায়রা শুধু মালামালের দাম হিসাব করেন কিন্তু অতিরিক্ত খরচ হলো না নেওয়ার বাজেটের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই প্রতিটি ধাপে কত টাকা খরচ হবে তার একটি পরিষ্কার ধারণা রাখা জরুরি।

বাজেট পরিকল্পনার সময় সম্ভবত ঝুঁকি ও অপ্রত্যাশিত খরচের জন্য আলাদা করে কিছু টাকা সংরক্ষণ করা বুদ্ধিমানের কাজ। এছাড়া মালামালের বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করার সময় মোট খরচের সাথে যুক্ত সংগত লাভ যোগ করে দাম ঠিক করতে হয় যাতে ব্যবসা স্থায়ী হয়। সঠিক খরচ হিসাব ও বাস্তবসম্মত বাজেট পরিকল্পনা থাকলে ব্যবসায়ী আর্থিক চাপ থেকে মুক্তি থাকবে এবং ব্যবসা ধীরে ধীরে লাভজনক অবস্থায় পৌঁছাবে।

ঝুঁকি এবং সমস্যা ব্যবস্থাপনা

বিদেশ থেকে মালামাল আমদানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকি ও সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই আগেভাগে এসব মোকাবেলার প্রস্তুতি থাকা জরুরী। অনেক সময় শিপিং দেরি হওয়া, পথে মালামাল নষ্ট হয়ে যাওয়া মালামালের মান প্রত্যাশাতে না মেলা বা কাগজপত্রের ভুলের কারণে কাস্টমে মালামাল আটকে যাওয়ার মতন পরিস্থিতি তৈরি হয়। এসব সমস্যা ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণ হতে পারে যদি সময় মতন ব্যবস্থা না নেওয়া হয়। তাই বিশ্বস্ত সরবাহরকারি নির্বাচন মালামাল পাঠানোর আগে নমুনা যাচাই এবং পরিষ্কার চুক্তি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আরো পড়ুনঃ নাটোরের দর্শনীয় স্থান

পাশাপাশি পরিবহন বীমা গ্রহণ করলে দুর্ঘটনা বা ক্ষতির ক্ষেত্রে আর্থিক নিরাপত্তা পাওয়া যায়। কাগজপত্র প্রস্তুতির সময় বাড়তি সর্তকতা রাখা এমন প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞ সুল্ক সহায়তাকারী সাহায্য নেয়া ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে। এছাড়াও বিকল্প সরবাহরকারি ও বিকল্প পরিবহন পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখলে হঠাৎ কোনো সমস্যা হলো ব্যবসা থেমে যায় না। সঠিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ব্যবসায়িক অপ্রত্যাশিত ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং দীর্ঘ মিয়াদি ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল ও লাভজনক রাখতে সহায়তা করে।

FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে পূর্ণ সংগ্রহের সুবিধা ও ঝুঁকি কি কি?

উত্তরঃ অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে মালামাল সংগ্রহ করলে সহজেই বহু সরবরাহকারী সাথে যোগাযোগ করা যায় দাম তুলনা করা যায় এবং ঘরে বসে অর্ডার দেওয়া সম্ভব হয়। আবার পণ্যের মান প্রত্যাশার মত না হওয়া প্রতারণার আশঙ্কা এবং ডেলিভারি দেরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

প্রশ্নঃ বিদেশ থেকে মালামাল নিয়ে এসে ব্যবসার জন্য কতটা সাফল্য?

উত্তরঃ বিদেশ থেকে মালামাল এনে ব্যবস্থা করলে কম দামে ভালো মানের পণ্য পাওয়া যায় ফলে লাভের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। তবে সঠিক পরিকল্পনা ও নিয়ম মেনে চললে এই ব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদি খুব সাফল্য হতে পারে।

প্রশ্নঃ বিদেশ থেকে বিনা শুল্কে কি কি পণ্য নেয়া যায়?

উত্তরঃ বিদেশ থেকে সাধারণভাবে ছোট পরিমাণ ব্যক্তিগত ব্যবহার বা উপহার হিসেবে কিছু পণ্য শুল্কমুক্ত আনা যায় যেমন ছোট ইলেকট্রনিক্স পোশাক বা পার্সোনাল আইটেম। কিন্তু বড় পরিমাণ ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বা নিয়ন্ত্রণে পণ্য শুল্ক মুক্ত আনা সম্ভব নয়।

প্রশ্নঃ বিদেশ থেকে বাংলাদেশে ট্যাক্স ছাড়া কয়টি মোবাইল ফোন নেওয়া যায়?

উত্তরঃ বাংলাদেশের বিদেশ থেকে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সাধারণত একটি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ট্যাক্স ছাড়া আনা যায়। এর বেশি মোবাইল আনলে শুল্ক ও ট্যাক্স দিতে হয় এবং কাস্টমসের  অনুমতির প্রয়োজন হয়।

উপসংহার বিদেশ থেকে মালামাল আনার নিয়ম এবং উপায়

বিদেশ থেকে মালামাল আনার নিয়ম এবং উপায়গুলো উপরে জানলাম। বিদেশ থেকে ব্যবসায়িক পণ্য আনা সফল করার জন্য সঠিক পরিকল্পনা, বিশ্বস্ত সরবরাহকারী শিপিং ও কাস্টমসের সঠিক প্রক্রিয়া বাজেট পরিকল্পনা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা মেনে চলা আবশ্যক। আপনি যদি সঠিকভাবে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করতে পারেন এবং কাজে লাগাতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি একজন সফল ব্যবসায়ী হবেন। বর্তমানে বিদেশ থেকে মালামাল আনা ব্যবসায়ীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এবং সঠিকভাবে পরিচালনা করলে ব্যবসার সফলতা নিশ্চিত করা যায় ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪