স্বাস্থ্য ভালো রাখার সহজ উপায়

স্বাস্থ্য ভালো থাকা মানেই শুধু রোগমুক্ত থাকা নয় বরং মধ্যে একটি সুন্দর ভারসাম্য বজায় রাখা। সুস্থ শরীর আমাদের দৈনন্দিন কাজ সহজ করে দেয় এবং জীবনকে আনন্দময় করে তোলে।বর্তমানে আমরা আমাদের জীবন নিয়ে এতটা ব্যস্ততার ভিতরে থাকি শরীরের প্রতি যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না।

স্বাস্থ্য-ভালো-রাখার

যার কারণে আমাদের বিভিন্ন সমস্যা ও রোগের মুখোমুখি করতে হয়। একটু ভালো যত্ন আর স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনটা সুন্দর হয়ে যাবে। এবার শরীর এবং স্বাস্থ্য দুটোই ভালো থাকবে। আজকের এই লিখায় আমরা জানবো স্বাস্থ্য ভালো রাখার সহজ উপায় হলো।

সুষম খাবার গ্রহণ স্বাস্থ্য ভালো রাখতে

আজকের ব্যস্ত জীবনে আমাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকছে না এর বড় কারণ হচ্ছে সুষম খাবারের অভাব ও ভুল জীবন যাপন। আমরা সময়ের অভাবে বাড়িত তৈরির খাবার ছেড়ে বাইরের খাবার খেতে বেশি ভালোবাসি। যার কারণে আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। কিন্তু সেটা আমরা বুঝতে চেষ্টা করি না। ব্যস্ততার অজুহাত দিয়ে আবার কেউ ইচ্ছা করে বাইরের খাবার খেয়ে থাকে। যেমন ফাস্টফুড ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবারের দিকে মানুষ বেশি আসক্ত হয়ে পড়ছে। যার ফলে আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন মিনারেল প্রোটিন ও ফাইবারের ঘাটতি তৈরি যা ধীরে ধীরে নানা রোগে জন্ম দিচ্ছে শরীরে।

অথচ সুষম খাবার হল আমাদের শরীরের জন্য দরকারি সব পুষ্টি উপাদান সঠিক পরিমাণে দিয়ে থাকে। প্রতিদিন খাবারের ভাত রুটি শাকসবজি ডাল মাছ ডিম দুধ এবং ফল রাখলে শরীরে অনেকটাই সুস্থ থাকবে। কিন্তু আমরা এসব খাবারের বদলে যেগুলো আমাদের আজকের জন্য ক্ষতিকর আমরা সেগুলোই বেশি পছন্দ করি।বাস্তব জীবনে দেখা যায় যারা নিয়মিত শাকসবজি ও ফল খান কারা সহজে অসুস্থ হন না এবং কাজের বেশ শক্তি বেশি পায়।

অন্যদিকে নিয়মিত খাওয়া খাবারে সময় ঠিক না রাখা ও পানি কম পান করার কারণে গ্যাস্ট্রিক দুর্বলতা মাথাব্যথা ওজনে সমস্যা বাড়ছে। খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় হজম শক্তি ঠিক রাখে এবং মনও ভালো রাখে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য সুষম খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এতে শরীরের খব বৃদ্ধি ও ক্ষয় দুটোই সঠিকভাবে হয়।

তাই সুস্থ থাকতে চাইলে দামী খাবার নয় বরং প্রতিদিনের সহজ ও পরিচিতি খাবার গুলো সঠিকভাবে খেতে হবে। অল্প অল্প করে হলো নিয়ম মেনে সুষম খাবার খেলে ধীরে ধীরে শরীর সুস্থ হবে কাজের আগ্রহে বাড়বে এবং জীবন হবে আরো স্বাভাবিক সুন্দর।

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করা

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত জরুরী। কিন্তু আমরা অনেকে পানি খাওয়াটাকে তেমন একটা গুরুত্ব সহকারে নিনা। প্রতিদিনের ব্যস্ততার মধ্যে ঠিকমতন পানি না খাওয়ার কারণে শরীরে পানি শূন্যতা দেখা দেয় যা ধীরে ধীরে নানা সমস্যা সৃষ্টি করে। পানি আমাদের শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে খাবারের হজমে সাহায্য করে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর বর্জ্য বের করে দেয়। পর্যাপ্ত পানি পান না করলে মাথা ব্যথা কোষ্ঠকাঠিন্য দুর্বলতা ও ত্বকের শুষ্কতা কমার মতন সমস্যা দেখা দেয় যা আমাদের বাস্তব জীবনে প্রায় অনুভূতি হয়।

বাস্তবে দেখা যায় যারা নিয়মিত পানি পান করে তাদের শরীর তুলনামূলকভাবে বেশি সতেজ থাকে এবং অসুস্থতা কম হয়। বিশেষ করে গরমের সময় বা বেশি পরিশ্রম করলে শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে পানি বের হয়ে যায় তখন পানি না খেলে শরীর ক্লান্ত ও দুর্বলতা দেখা দেয়। পর্যাপ্ত পানি কিডনি ভালো রাখে প্রসাবের জ্বালা কমায় এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে। পর্যাপ্ত পানি পান করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তাই সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় পরপর পানি পান করা অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তাই আমাদের সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। কারণ পানি খেলে শরীর সুস্থ থাকবে এবং প্রতিদিনের জীবন হবে সহজ ও সতেজ। পিপাসা না লাগলো অল্প অল্প করে পানি খাওয়া উচিত। কারণ পানির অপর নাম জীবন। তাই সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা প্রয়োজন।

শারীরিক ব্যায়াম স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য

শারীরিক ব্যায়াম সুস্থ জীবনযাপনের একটি অপরিহার্য অংশ। কিন্তু আমরা প্রয়োজনই বা এই শারীরিক ব্যায়াম করি। তাই আমরা প্রতিদিনের জীবনে এর গুরুত্ব দিন দিন হারিয়ে ফেলেছি। কিন্তু আমরা এটা যদি একটু ভাবি সামান্য ২০ মিনিট ব্যায়াম করি তাহলে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকার হবে। কিন্তু সামান্য ব্যায়াম আমাদের জীবনের জন্য অনেক উপকার। প্রায় অধিকাংশ মানুষ দীর্ঘ সময় বসে কাজ করে মোবাইল বা টিভির সামনে সমা কাটাই হলে শরীরে ঠিকমতন নড়াচড়া হয় না। এ কারণে ওজন বেড়ে যায় শরীরের ব্যথা শ্বাসকষ্ট দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। নিয়মিত ব্যায়াম শরীরকে সক্রিয় রাখে পেশীয় হার শক্ত করে এবং রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে।

আরো পড়ুনঃ প্রতিদিন ১৫ মিনিট ব্যায়াম করার ৭টি উপকারিতা

যারা প্রতিদিন কিছু সময় হাটে দৌড়ানো বা হালকা ব্যায়াম করেন তারা তুলনামূলকভাবে বেশি কর্মক্ষয় থাকেন। এ সামান্য ব্যায়াম টুকু করলে সারাদিন শরীর ও মন ভালো থাকে। যার কারণে কাজের প্রতি মনোযোগী হয় এবং কাজের প্রতি একটি আনন্দ লাগে। আজকাল অনেকে অল্পতে বিরক্ত হয়ে পড়েন বা হাত আছা ভুগেন যার পিছনে শরীর চর্চার অভাব ও একটি বড় কারণ।

তাই সুস্থ থাকতে চাইলে আলাদা জিমে যাওয়া না পারলেও প্রতিদিন অন্তত ২০-৩০ মিনারটা বা সহজ ব্যায়াম করে অভ্যাস গড়ে তোলার জরুরী। সামান্য এই সময়টুকুন আপনার জীবন পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট। তাই সুস্থ থাকতে হলে আমাদের এই সময়টুকুন দিতে হবে। আপনি যদি নিয়মিত এ ব্যায়ামগুলো করেন তাহলে আপনার শরীর সুস্থ থাকবে এবং কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়বে আর আপনার জীবন হবে সুন্দর ও স্বাভাবিক।

স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় পর্যাপ্ত ঘুম

বর্তমানে মানুষের সবচেয়ে কমন সমস্যা হচ্ছে ঘুমের। কিন্তু পর্যাপ্ত ঘুম আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমরা এ আধুনিক জীবনে এসে বিষয়টাকে সেই ভাবে নিনা। যার কারণে রাত জেগে কাজ করা মোবাইল দেখা দেরি করে খাওয়া বা অতিরক্ত দুশ্চিন্তার কারণে আমরা ঠিকমত ঘুমাতে পারিনা। এর ফলে সকালে উঠে শরীর ভারী লাগে মাথার ঝিমুনি থাকে এবং কাজে মন বসে না। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি কমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয় এবং শরীরে নানা সমস্যা ভুগতে শুরু করে।

যারা নিয়মিত সাত থেকে আট ঘন্টা গভীর ঘুমান তারা তুলনামূলকভাবে বেশি সতেজ ও কর্ম ক্ষয় থাকে। কারন পর্যাপ্ত ঘুম হলে শরীরের সাথে সাথে মনও ভালো থাকে। যার কারণে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ থেকে শরীর ভালো থাকে এবং জীবন চলার পথ সহজ হয়। তাই মানুষকে সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই পর্যাপ্ত ঘুমের দরকার। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তার মত কারণের জন্য মানুষ দিন দিন বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

তাই সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিন এ সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরী। ঘুমের আগে মোবাইল ব্যবহার কমানো হালকা খাবার খাওয়া এবং শান্ত পরিবেশে ঘুমানোর চেষ্টা করলে শরীর ও মন দুটোই সুস্থ থাকে আর জীবন স্বাভাবিক হয়।

মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া

মানসিক স্বাস্থ্য যত্ন নেয়া সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের জন্য শারীরিক স্বাস্থ্যের মতনই গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু আমরা এ বিষয়টা প্রায় গুরুত্বই দিনা। সংসার কাজ পড়াশোনা করা ঠিক চাপের মধ্যে প্রতিদিন চলতে গিয়ে নিজের মনের খবর নেয়ার সময় পায় না। যার ফলে অকারণের দুশ্চিন্তা বিরক্তি একাকিত্ব ও হতাশা ধীরে ধীরে জমে ওঠে। মানসিকভাবে ভালো না থাকলে শরীর ভালো থাকে না ঘুমের সমস্যা ক্ষুধা মাথা ব্যথার মত সমস্যা দেখা দেয়।

যারা নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেন এবং সময়ে সময়ে বিশ্রাম নিন তারা তুলনামূলকভাবে বেশি শান্ত থাকে। মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন মানে শুধু বড় সমস্যা হলে সাহায্য নেয়া নয় বরং প্রতিদিনের ছোট অভ্যাস এর অংশ। পরিবারের সাথে কথা বলা প্রিয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটানো নিজের পছন্দের কাজ করা বা একটু নিরিবিলিতে সময় কাটানো মনকে হালকা করে।। এ ছাড়া নেতিবাচক চিন্তা কমিয়ে ইতিবাচক ভাবে ভাবার চেষ্টা মানসিক শক্তি বাড়ায়।

তাই সুস্থ থাকতে চাইলে নিজের মনকে অবহেলা না করে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রয়োজন হলে কাউকে নিজের কথা বলা অল্প সময় হলো নিজের জন্য রাখা এবং অতিরিক্ত চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করলে মন ধীরে ধীরে সুস্থ হয়। মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকলেও জীবন হয় আরো সুন্দর ও শান্ত।

ক্ষতিকার অভ্যাস ত্যাগ করা

ক্ষতিকর অভ্যাস ত্যাগ করা সুস্থ জীবন গড়ার প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। কিন্তু বাস্তবে এটা আমাদের জন্য সবচেয়ে কঠিন কাজ গুলোর মধ্যে একটি। ধূমপান অতিরিক্ত চা কফি পান জাঙ্ক ফুড খাওয়া রাত জাগা বা সারাক্ষণ মোবাইল ব্যবহার করা এগুলো অনেক সময় অভ্যাসে পরিণত হয়। যা আমরা বুঝতে পারি না কখন এগুলো আমাদের শরীর ও মনকে ক্ষতি করতে শুরু করেছে। এসব অভ্যাস আমাদের জীবনের সাথে এমন ভাবে জড়িয়ে যায় যে আমরা সঠিক ভুল বোঝার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি। আর এসব কারণে আমরা দিন দিন ক্ষতির সম্মুখ হচ্ছে।

বাস্তব জীবনের দেখা যায় যারা ক্ষতিকর অভ্যাসে অভ্যস্ত তারা অল্পতে ক্লান্ত হয়ে পড়েন এবং ছোট ছোট শারীরিক সমস্যায় ভুগেন। যেমন ধূমপান ফুসফুস ও হৃদ যন্ত্রের ক্ষতি করে অতিরক্ত ভাজাপোড়া খাবারে হজমের সমস্যা ও ওজন বাড়ায়। দীর্ঘ সময় মোবাইল ব্যবহারের চোখ ঘুম ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে এসব প্রভাবে একদিন বোঝা নেয় না কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার স্বাভাবিক জীবনকে নষ্ট করে দেয়।

তাই আমাদের সুস্থ থাকতে হলে এসব ছেড়ে দেওয়া উচিত। একবারে ছাড়তে না পারলে আস্তে আস্তে ছেড়ে দিতে হবে। তার জন্য ভালো অভ্যাস গড়ে তোলা নিজেকে ব্যস্ত রাখা এবং নিজের শরীর ও মনের কথা শোনা অনেক জরুরী।তাই ক্ষতিকার অভ্যাসগুলো ছেড়ে দিয়ে স্বাস্থ্য ও শরীর ভালো  থাকবে এবং জীবন আরো সুস্থ থাকবে।

ব্যক্তিগত পরিছন্নতা বজায় রাখা

ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সুস্থ জীবন যাপনের একটি মৌলিক অংশ। কিন্তু অনেক সময় আমরা প্রতিদিনের ব্যস্ততার কারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ কামাই। হাত ধোয়া নিয়মিত গোসল দাঁত পরিষ্কার করা পরিষ্কার পোশাক পড়া এবং নখের কেসের যত্ন নেওয়া এসব ছোট ছোট অভ্যাস হলো শরীর ও মনকে সতেজ রাখে। পরিছন্নতা না মানার কারণে আমাদের শরীরে নানা ধরনের জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমন হয় যা সর্দি কাশি ত্বকের সমস্যা এবং অন্যান্য অসুখের কারণ হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ হজম শক্তি কমার প্রধান কারণ

যারা নিজের পরিছন্নতার যত্ন নেন তারা কম অসুস্থ হয় এবং আত্মবিশ্বাস বেশি রাখে। পরিছন্নতা থাকার অভ্যাস শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য নয় মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। পরিষ্কার থাকা মনকে প্রফুল্ল রাখে সামাজিক পরিবেশ সহজে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে এবং অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকে। শিশুরা এই অভ্যাস শিখলে ভবিষ্যতে সুন্দর জীবন যাপন সহজ হয়। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিনে নিজের ব্যক্তিগত পরিচলনতা নিশ্চিত করা জরুরী। তাই ব্যক্তিগত পরিছন্নতা মারলে জীবন হয় স্বাস্থ্যসম্মত স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং আরো সুন্দর।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা কেন জরুরী

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা আমাদের জীবনের জন্য অনেক জরুরী। কারণ আমরা আমাদের শরীরের সমস্যা গুলো সহজে ধরতে পারেনা। যার কারণে অনেক সময় বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখ হতে হয়। যেটা আর সময় থাকে না। কারণ আমাদের প্রতিদিনের জীবনে চলাফেরাতে বা খাবারে এমন সব ভুল করে থাকে যা আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। তখন ভিতর ভেতর আমাদের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। তাই অনেক সময় শরীরের ভিতরে সমস্যা শুরুতে বোঝা যায় না। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলে রোগ আগে থেকে ধরা পড়বে এবং সহজে চিকিৎসা করা যাবে। বছরে অত্যন্ত একবার সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো স্বাস্থ্য ভালো রাখার সহজ উপায় হিসেবে বিবেচিত।

উপসংহার স্বাস্থ্য ভালো রাখার সহজ উপায়

স্বাস্থ্য ভালো রাখা সহজ উপায় গুলো খুব একটা কঠিন নয়। যদি আমরা সঠিকভাবে এবং আমাদের ভুলগুলো সংশোধন করে নিন তাহলে সুস্থ জীবন গড়া সম্ভব। সুস্থ জীবন গড়তে হলে অবশ্যই আমাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এমন সব কাজগুলো করতে হবে। এর জন্য সঠিক খাবার পর্যাপ্ত ঘুম নিয়মিত ব্যায়াম ও মানসিক শান্তি বজায় রাখলে সুস্থ জীবন  সম্ভব। তাই প্রতিদিনের জীবনে এই সহজ নিয়ম গুলো মেনে চললে দীর্ঘদিন ভালো থাকা যায়। তাই আসুন স্বাস্থ্য ভালো রাখার সহজ উপায় গুলো মেনে সুস্থ ও সুন্দর জীবন করে ধন্যবাদ।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪