হজম শক্তি কমার প্রধান কারণ গুলো

হজম শক্তি কমার প্রধান কারণ গুলো সম্পর্কে আমরা জানবো। হজম শক্তি হচ্ছে আমাদের স্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। খাবারের পরে যদি হজম করতে না পারা যায় তাহলে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়। তাই হজম শক্তি ভালো রাখা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

হজম-শক্তি-কমার-প্রধান-কারণ

বর্তমানে মানুষের খাদ্যের পরিবর্তন এবং জীবন যাপনের নিয়মের কারণে হজম শক্তি কমে যাচ্ছে। মানুষ প্রায় অসুস্থ থাকে এবং বিভিন্ন সমস্যায় ভুগে।কারণ হজম যদি ভালো না হয় তাহলে বিভিন্ন রোগ শরীরে বাসা বাঁধে। আমরা জানবো হজম শক্তি কমার প্রধান কারণ গুলো সম্পর্কে।

হজম শক্তি কমার প্রধান কারণ গুলো

হজম শক্তি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যখন হজম শক্তি ঠিক থাকে তখন শরীরে সহজে পুষ্টি শোষণ করতে পারে। আমরা যখন খাবার খায় তা থেকে শক্তি গ্রহণ হয় এবং অন্ত্র সুস্থ থাকে। কিন্তু হজম শক্তি কমে গেলে আমাদের শরীরে বিভিন্ন সমস্যা হয়। যেমন গ্যাস্টিক সমস্যা, ওজন বৃদ্ধি, পেটে অস্বস্তি বা অম্লপিত্তর সৃষ্টি ইত্যাদি। ঠিকভাবে যদি খাবার হজম না হয় তাহলে গ্যাসের সাথে  বমি ভাব আসে। আবার পেট ব্যথা হয়। তাই আমাদের সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই হজম শক্তি থাকা লাগবে।

কিন্তু বর্তমানে ব্যস্ত জীবনধারায় নিয়মিত খাদ্যাভাস, স্ট্রেস, পরিমাণ মতো পানি না খাওয়া এবং কম শারীরিক কার্যকলাপের কারণে হজম শক্তি অনেকের কমে যায়। এছাড়া হরমোন জনিত সমস্যা বিশেষ করে থাইরয়েডের ব্যাঘাত হজম শক্তি কমার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব কারণে হজম শক্তি কমে গেলে খাবার ঠিকমত হজম হয় না। যার কারণে পেটে অস্বস্তি বা গ্যাস জমে এবং সার্বিকভাবে শরীর দুর্বল অনুভব হয়।

প্রতিদিন খাবার আমাদের শক্তি ও পুষ্টির জন্য প্রধান উৎস। সে খাবার যদি আমাদের পেটের মধ্যে হজম না হয় বা ঠিক মত কাজ না করলে তাহলে আমাদের শরীর সেই পুষ্টিটা পাবে না। খাদ্য হচ্ছে আমাদের শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা আমাদের শরীরের ঘাটতি পূরণ করে এবং পুষ্টি সরবরাহ করে থাকে। আর সেটাই যদি ঠিকভাবে না হয় তাহলে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়। এখন আমরা নিচে জানব হজম শক্তি কমার প্রধান কারণ গুলোর সম্পর্কে। কি কারনে সমস্যা মানুষের মধ্যে বাড়ছে।

খাদ্যাভ্যাসের সমস্যা

বর্তমান সময়ে খাদ্যাভাসের সমস্যা হজম শক্তি কমার প্রধান কারণ হচ্ছে খাদ্য অন্যতম। মানুষের ব্যস্ত জীবন যাপন, অফিসের চাপ, পড়াশুনা ও পারিবারিক দায়িত্বের কারণে অনেকে নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেতে পারে না। সময়ের অভাবে ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল মসলাযুক্ত খাবার ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের ওপর নির্ভরতা বেড়ে যায়। যার কারণে আমাদের হজম প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে যায়। এসব খাবারের ফাইবারের পরিমাণ কম থাকায় অন্ত্র ঠিকমত কাজ করতে পারে না এবং হজমের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম সঠিকভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হয়।আবার অনেকে তাড়াহুড়া করে খাবার খায়, ভালোভাবে খাবার চিবাই না যার ফলে পাকস্থলীর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

অনিয়মিত সময়ে খাওয়া, গভীর রাতে ভারী খাবার গ্রহণ এবং খাবারের সঙ্গে অতিরিক্ত কোল্ড ড্রিংক বা চিনি জাতীয় পানিও গ্রহণ করা হজম শক্তি কমার বড় কারণ। এছাড়া কর্মব্যবস্থার কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি না খাওয়া এবং ফলমূল ও সবজি কম খাওয়ার অভ্যাস হজম শক্তিকে আরো দুর্বল করে তুলে। ধীরে ধীরে এ ভুল খাদ্যাভ্যাস পাকস্থলীর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। যার ফলে গ্যাস, বদহজম, অম্বল এবং পেট ভারী থাকার মত সমস্যা দেখা দেয়। এভাবে দীর্ঘদিনের খাদ্যাভাসের অবহেলা মানুষের হজম শক্তি ক্রমশ এবং সার্বিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

পরিমাণ মতো পানি না খাওয়া

পরিমাণ মতো পানি না খাওয়া হজম শক্তির কমে যাওয়ার একটি নীরব কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ। পানি আমাদের শরীরে পাচনতন্ত্র সচল রাখতে বড় ভূমিকা পালন করে। খাবারে হজম করার জন্য যে হজম রস ও এনজাইম এর প্রয়োজন হয়। সেগুলো কার্যকর ভাবে কাজ করতে পর্যাপ্ত পানির দরকার। কিন্তু ব্যস্ত জীবন যাপন, অফিসের কাজের চাপ, বাইরে বেশি সময় থাকা কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে পানি কম পান করা অভ্যাসের কারণ। অনেকে দৈনিক প্রয়োজনীয় পানি পান করে না।

হলে খাদ্য পাকস্থলীতে ঠিকভাবে ভাঙতে পারেনা এবং অন্ত্রের পৌঁছাতে দেরি হয়।পানি কম খেলে মল শক্ত হয়ে যায় যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ভারি থাকা ও গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান না করলে শরীর থেকে বজ্র পদার্থ ঠিক ভাবে বের হতে পারে না যা হজম প্রক্রিয়াকে আরো দুর্বল করে তোলে। দীর্ঘদিন এ অভ্যাস চলতে থাকলে পাকস্থলীর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট হয় এবং হজম শক্তি ধীরে ধীরে কমে যায়। তাই সুস্থ হজম ও অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে নিয়মিত ও পরিমাণমতো পানি পান করা অত্যন্ত জরুরী।

স্ট্রেস ও মানসিক চাপ

স্ট্রেস ও মানসিক চাপ হজম শক্তি কমে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু অনেক সময় অবহেলিতের কারণে। বর্তমানে ব্যস্ত জীবনে কাজের চাপ, আর্থিক দুশ্চিন্তা, পারিবারিক সমস্যা, পড়াশোনা টেনসন কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তাভাবনা মানুষের মানসিক শান্তি নষ্ট করে দেয়। যখন একজন মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপে থাকেন তখন শরীর স্বাভাবিকভাবে হজমের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন ও এনজাইম ঠিক মত উৎপাদন করতে পারে না। ফলে পাকস্থলী ও অন্ত্রের কার্যক্রম ধীর হয়ে যায় এবং খাবার সহজে হজম হয় না।

আরো পড়ুনঃ কিডনি ভালো রাখার ১০টি উপকারিতা

অতিরিক্ত স্ট্রেসের কারণে অনেকের ক্ষুধা কমে যায়। আবার কেউ কেউ অস্বাভাবিকভাবে বেশি খেয়ে ফেলে দুটোই অবস্থা হজম শক্তির জন্য ক্ষতিকর। মানসিক চাপের প্রভাবে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। যার ফলে গ্যাস্ট্রিক, অম্বল, বমি ভাব ও পেট জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। দীর্ঘদিন এ অবস্থা চলতে থাকলে হজম শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং খাবার খাওয়ার পর অস্বস্তি তৈরি হয়। তাই সুস্থ হজম বজায় রাখতে মানসিক চাপ কমানো এবং মনকে শান্ত রাখা অত্যন্ত জরুরী।

শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়ামের অভাব

শারীরিক পরিশ্রম ও নিয়মিত ব্যায়ামের অভাবে হজম শক্তি কমে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। আধুনিক জীবনে মানুষ দীর্ঘ সময় বসে কাজ করে যেমন অফিসের ডেস্কে বসে থাকা, মোবাইল বা কম্পিউটারে সময় কাটানো এবং অবসর সময় শারীরিক নড়াচড়া কম থাকা। এসব করাই এখন মানুষের কাছে সাধারণ বিষয়। এর ফলে শরীরে অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো কাজ করা বন্ধ করে। বিশেষ করে পাকস্থলী ও অন্ত্র পর্যাপ্তভাবে সক্রিয় থাকতে পারে না। যেমন নিয়মিত হাটা, হালকা ব্যায়াম বা শরীর চর্চা না করলে অন্ত্রের স্বাভাবিক সংকোচন ও প্রসারণ প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। যার ফলে খাবার সহজে নিচে নামতে পারে না এবং হজম হতে সময় লাগে। এছাড়া শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে শরীরের রক্ত সঞ্চালন কমে যায় যা হজমের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি পাকস্থলীতে পৌঁছাতে বাধা সৃষ্টি করে। যাদের মধ্যে এসব অভ্যাস দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে তাদের জন্য পাকস্থলীর কর্ম ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায় এবং হজম শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।

ঘুমের অনিয়ম ও রাত জাগা

ঘুমের অনিয়ম ও নির্মিত রাত জাগা হজমশক্তি কমে যাওয়ার একটি গুরুতর কারণ। সুস্থ শরীরে জন্য যেমন সঠিক খাদ্যের দরকার তেমনি পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম অত্যন্ত জরুরী। কিন্তু বর্তমান সময়ে মোবাইল ব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়া, অতিরিক্ত কাজের চাপ যা দেরিতে ঘুমানোর অভ্যাসের কারণ। অনেকে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে পারেন না কাজের জন্য। ঘুমের সময় শরীর নিজেকে পূর্ণ গঠন করে এবং হজমে সঙ্গে সম্পর্কিত হরমোন ও এনজাইমগুলোর ভারসাম্য বজায় রাখে। যখন ঘুমের সময় কমে যায় বা ঘুমের রুটিন এলোমেলো হয়ে পড়ে তখন পাকস্থলীর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহিত হয়। এর ফলে খাবার হজম হতে বেশি সময় লাগে এবং অন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। দীর্ঘদিন রাত জাগা ও অপর্যাপ্ত ঘুম পাকস্থলীকে দুর্বল করে দেয়। যার ফলে হজম শক্তি ধীরে ধীরে কমে যায় এবং শরীর ক্লান্ত ও অস্বস্তিকর অনুভব হয়।

পাচনতন্ত্রের রোগ

পাচনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ হজম শক্তি কমে যাওয়ার একটি প্রধান ও দীর্ঘস্থায়ী কারণ। পাকস্থলী ও অন্ত্রের সুস্থতার ওপর মূলত হজম প্রক্রিয়া নির্ভর করে। যখন এই পাচনতন্ত্রের কোন সমস্যা দেখা দেয় তখন খাবার সঠিকভাবে হজম হতে পারে না। যেমন আলসার, বদহজম বা অন্ত্রের প্রদাহ জনিত রোগের কারণে পাকস্থলী অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি হতে পারে। অথবা হজম রসের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা কমে যায়। এসব রোগের আক্রান্ত হলে পাকস্থলী খাবার ভাঙ্গার দক্ষতা হারাতে শুরু করে। যার কারণে খাবারের পুষ্টিগুণগুলো সহজে অন্ত্রের কাছে পৌঁছাতে দেরি হয়। যারা অনেক সময় দীর্ঘদিন ওষুধ সেবনে পাশ্বপ্রতিক্রিয়াতে  ও পাচনতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে। যদি এসব সমস্যা সময় মতো নিয়ন্ত্রণ করা না হয় তাহলে পাকস্থলী ও অন্ত্র ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যায় এবং স্বাভাবিক হজম শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। যার ফলে দৈনন্দিন জীবনে নানা অস্বস্তি কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

হরমোনজনিত সমস্যা

হরমোন জনিত সমস্যা হজম শক্তির কমে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু অনেক সময় উপেক্ষিত কারণ। আমাদের শরীরে হরমোন গুলো পাচনতন্ত্রের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের বড় ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে থাইরয়েড, ইনসুলিন ও কর্টিসলের মতো হরমোন হজম প্রক্রিয়াকে প্রবাহিত করে। যখন থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয় তখন পাকস্থলী ও অন্ত্রের স্বাভাবিক গতিশীলতা কমে যায়। যার ফলে খাবার হজম হতে বেশি সময় লাগে। একইভাবে ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন জনিত সমস্যায় শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া ধীর হয়ে পড়ে যা হজম শক্তি কমিয়ে দেয়। দীর্ঘদিন মানসিক চাপের কারণে কর্টিসল হরমোন বেড়ে গেলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং হজম রস ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। এছাড়া বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হরমোনের স্বাভাবিক পরিবর্তন ও হজম শক্তিকে দুর্বল করে তোলে। এসব হরমোন জনিত সমস্যার কারণে পাকস্থলী ও অন্ত্র ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যায় এবং স্বাভাবিক হজম ক্ষমতা কমে যায়।

আরো পড়ুনঃ পিত্তথলির পাথর দূর করার উপায়

FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্নঃ হজম শক্তি কমে গেলে কি হয়?

উত্তরঃ হজম শক্তি কমে গেলে খাবার ঠিক মত হজম হয় না। যার ফলে পেটে গ্যাস, পেট ফাঁপা ও ভারী ভাব দেখা দেয়। এ ছাড়া শরীরে ঠিকভাবে পুষ্টি শোষণ করতে না পারায় দুর্বলতা ও ক্ষুধা মান্দা তৈরি হতে পারে।

প্রশ্নঃ কি খেলে খাবার তাড়াতাড়ি হজম হয়?

উত্তরঃ দই, পেঁপে, আনারস, আদা ও মৌরি খেলে খাবার তাড়াতাড়ি হজম হয়। কারণ এগুলো হজম সহায়ক এনজাইম তৈরি করে। এছাড়া গরম পানি ও হালকা সুপ পান করলে পাকস্থলী প্রক্রিয়া থাকে এবং হজম প্রক্রিয়ার দ্রুত হয়।

প্রশ্নঃ লিভারে হজম শক্তি কমে গেলে কি হবে?

উত্তরঃ লিভারে হজম শক্তি কমে গেলে খাবার থেকে পুষ্টি শোষণ দিল হয়ে যায় এবং পেট গ্যাস ও অস্বস্তি দেখা দেয়। দীর্ঘমেয়াদি শরীরের ক্লান্তি এবং ওজন কমে যাওয়া বা জন্ডিসের মত সমস্যা হতে পারে।

উপসংহার হজম শক্তি কমার প্রধান কারণ গুলো

হজম শক্তি কমার প্রধান কারণ আমাদের জীবনযাত্রা প্রভাবিত হয়। পেটের অস্বস্তি, বদহজম এবং শক্তিহীনতা এমন কিছু সাধারণ সমস্যা। তবে সহজ জীবন যাপন, সুষম খাদ্যাভাস, পর্যাপ্ত পানি, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হজম শক্তি সহজে বাড়ানো সম্ভব। যদি হজম সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয় বাত তীব্র ব্যথা সৃষ্টি করে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। নিয়মিত সচেতনতা ও সঠিক অভ্যাসের মাধ্যমে হজম শক্তি নিয়ন্ত্রণের রাখা সম্ভব যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতক্ষণ মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪