দাঁতের যত্ন কিভাবে নিব তার উপায়

দাঁতের যত্ন কিভাবে নিব এবং তার উপায় গুলো জানব।দাঁত আমাদের জীবনে  গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দাঁত যদি দেখতে না ভালো লাগে তাহলে কেমন অস্বস্তি লাগে।হাসতে গিয়েও ভালো লাগে না।মন বলবে মানুষের দেখলে কি বলবে। বা মুখ দিয়ে যদি দুর্গন্ধ বের হয় এরকম নানা রকমের চিন্তা।

দাঁতের-যত্ন-কিভাবে-নিব

দাঁতের যত্ন নেওয়া আমাদের সকলেরই উচিত।দাঁতের যত্ন নিতে হলে আমাদের কিছু নিয়ম ফলো করতে হবে।এতে করে দাঁতের গোড়া ভালো থাকবে এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর হবে।সুন্দর ও মজবুত দাঁত পেতে হলে দাঁতের সঠিক যত্ন নেয়া আমাদের সকলেরই উচিত।নিচে উপায়গুলো জানি।

দাঁতের যত্ন নেওয়া কেন জরুরী

দাঁত কে ভালো রাখতে হলে দাঁতের যত্ন নেওয়া অবশ্যই প্রয়োজন। কারণ আমাদের স্বাস্থ্যের একটি অংশ হচ্ছে দাঁত। কারণ দাঁতের গোড়া বা মারি ফুলে গেলে প্রচন্ড ব্যথা করে। যার কারণে অনেক সময় মানুষ অসুস্থ হয়ে যায়। গায়ে জ্বর চলে আসে। আর যদি ঠিকভাবে তাদের যত্ন নেওয়া না হয় তাহলে মুখ দিয়ে দুর্গন্ধ বের হয়। দাঁতের গোড়া ফুলে যায় এবং ব্যথা করে। যার কারণে শক্ত খাবার খেতে সমস্যা হয়। যদি সঠিকভাবে দাঁতের যত্ন নেয়া না হয় তাহলে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই আমাদের সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই দাঁতে যত্ন নেওয়া জরুরি। যদি আমরা ঠিকভাবে দাঁতের যত্ন নানি তাহলে বিভিন্ন সমস্যার মুখে পড়তে হয়। যেমন দাঁতের দাগ বা হলুদ ভাব হয়, দাঁতের ব্যথা বাড়ে, মাড়ি ফোলা বা রক্তপাত হয়, দাঁতের ক্ষয় বা ছিদ্র হয় এবং মুখের দুর্গন্ধ। দাঁতের সমস্যা শুধু স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে না এতে আত্মবিশ্বাস্য প্রভাব ফেলে। তাই দাঁতের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিদিন দাঁতের যত্ন নেওয়া সঠিক নিয়ম

আমরা সকালে সবাই দাঁত মাজে। যেমন মাজন, টুথপেস্ট এবং কয়লা দিয়ে দাঁত মাজে। কারণ আগের মানুষকে দেখেছি কয়লা দিয়ে দাঁত মাজতে। তবে বর্তমানে কেউ কেউ এখনো গ্রামের লোকেরা এটা ব্যবহার করে। তবে আগের থেকে মানুষ এখন অনেকটা সচেতন হয়েছে। দাঁত পরিষ্কার করার জন্য টুথপেস্ট ব্যবহার করে। টুথপেস্টের দাঁত মাজার সময় অবশ্যই আমাদের কিছু নিয়ম ফলো করতে হবে। বা সঠিক নিয়মে দাঁতের যত্ন নিতে হবে।

দাঁত কমপক্ষে দিনে দুইবার ব্রাশ করা উচিত। সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে খাবারের পরে। রাতে দাঁত ব্রাশ না করলে রাতে যে খাবারগুলো খাওয়া হয় তা দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে লেগে থাকে। যা আমাদের দাঁতের জন্য ভালো না। কারণ এতে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায় এবং আমাদের দাঁতের ক্ষতি করে। রাতে খাবারের পরে ব্রাশ করা ঠিক না। অন্তত  ৩০ মিনিট পরে ব্রাশ করা সবচেয়ে ভালো। সরাসরি খাবারের পর ব্রাশ করলে দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

রাতে ঘুমের সময় লালা কম উৎপন্ন হয় ফলে মুখে ব্যাকটেরিয়া বুদ্ধি পায়। তাই ঘুমানোর আগে দাঁত পরিষ্কার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি দাঁত পরিষ্কার করার না হয় তাহলে দাঁতে ব্যাকটেরিয়ার জমে মারি ফোলা ও ব্যথা হতে পারে। আর সেই সাথে পোকা লাগতে পারে। এবং দাঁতে ক্ষয়জনিত সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই আমাদের সঠিক নিয়মে দুইবার ব্রাশ করা সকলেরই উচিত। তাহলে তাদের সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারি।

সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ করার পদ্ধতি

সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ করা দাঁতের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে একটি নরম বা মিডিয়াম ব্রাশ এবং ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট নির্বাচন করুন। শক্ত ব্রাশ ব্যবহার করলে দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যার ফলে মাড়ি ফোলা বা রক্তপাতে সমস্যা দেখা দেয়। ব্রাশ ধরার সময়  ব্রাশকে প্রায় ৪৫ ডিগ্রি কোণে মারি সাথে রাখুন। এবং হালকা চাপ দিয়ে বৃত্তকার ভাবে ঘোসন। খুব জোরে ঘষলে দাঁত ও মারি দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ কিডনি ভালো রাখার ১০টি উপায়

ব্রাশ করার সময় প্রথমে উপরের দাঁত পরিষ্কার করুন। ব্রাসকে মাড়ির উপর রেখে হালকা বৃত্তাকার মুভমেন্ট ঘুষন। দাঁতের সামনে, পেছনে এবং জীবনের অংশ আলাদা আলাদা ভাবে ব্রাশ করুন। এরপর নিচে দাঁতেও একইভাবে পরিষ্কার করতে হবে।জিহবা পরিষ্কার করাও গুরুত্বপূর্ণ। জিহবার ওপরের অংশ হালকা ব্রাশ করলে মুখের ব্যাকটেরিয়া কমে এবং দুর্গন্ধ দূর হয়। তাই দাঁত ব্রাশ করার সময় অবশ্যই ওপর নিচ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। যাতে কোন জায়গায় ব্যাকটেরিয়া জমে না থাকে।

প্রতিটি দাঁতের জন্য কমপক্ষে দুই মিনিট সময় দিন। দ্রুত ব্রাশ করলে দাঁত সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার হয় না। ব্রাশ করার পরে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন এবং চাইলে মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করুন। এছাড়াও প্রতি ৩-৪ মাসে ব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত। কারণ পুরনো ব্রাশ দিয়ে দাঁত ঠিকভাবে পরিষ্কার হয় না। এ ধাপ গুলো নিয়ম নিয়মিত অনুসরণ করলে দাঁত সুস্থ থাকবে মারিস শক্ত হবে এবং মুখের ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি কমবে।

ভালো মানের টুথব্রাশ ও টুথপেস্ট নির্বাচন করা

দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে সঠিক টুথব্রাশ এবং টুথপেস্ট নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সঠিক টুথব্রাশ যদি না হয় তাহলে দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া সম্ভাবনা বেশি থাকে। ভালো মানে ব্রাশ এমন হওয়া উচিত যা নরম বা মিডিয়াম ব্রিসেলযুক্ত এবং দাঁতের আকার ও মুখের আকারের সঙ্গে মানানসই। শক্ত ব্রাশ ব্যবহারের দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং মারি ফলা বা রক্তপাতের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া আরামদায়ক হওয়া উচিত যাতে দৈনন্দন ব্যবহারের হাত কম ক্লান্ত হয়। টুথপেস্ট নির্বাচন করতে হবে সঠিকভাবে।

ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্টদেরকে শক্ত করে এবং ক্ষয় প্রতিরোধে সাহায্য করে। শিশুদের জন্য আলাদা কম ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা উচিত। যাতে তাদের ছোট দাঁতের জন্য এটি নিরাপদ হয়। এছাড়া সংবেদনশীল দাঁতের জন্য সংবেদনশীলতা কমানোর বৈশিষ্ট্য টুথপেস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। সঠিক ব্রাশ এবং টুথপেস্ট এর সংমিশ্রণ নিয়মিত ব্যবহার করলে দাঁত সুস্থ থাকে মারই শক্ত এবং মুখে দীর্ঘ সময়ের জন্য সতেজতা বজায় রাখে।

দাঁত পরিষ্কার রাখতে অতিরিক্ত যা দরকার

দাঁত পরিষ্কার রাখা আমাদের সকলেরই কর্তব্য। কারণ দাত ভালো থাকলে সব ভালো। যখন দাঁতের ব্যথা উঠে তখন সমস্ত শরীর লাগছে ব্যথা করে। তখন মাথায় কিছু কাজ করে না। তাই দাঁতকে ভালো রাখা জন্য দাঁতের যত্ন নেওয়া জরুরী। আমরা তো ব্রাশ বা টুথপেস্ট দিয়ে দাঁতের যত্ন নি। তবে দাঁত পরিষ্কার রাখতে অতিরক্ত কিছু প্রয়োজন হয়। অনেক সময় আমাদের খাবার খাওয়ার পরে দাঁতে আটকে যায়। তখন আমরা সেটা বের করার জন্য শক্ত কিছু ব্যবহার করি যা আমাদের দাঁতের জন্য ক্ষতির কারণ। তার এমন কিছু ব্যবহার করতে হবে যা আমাদের দাঁতের গোড়া ভালো থাকবে এবং মজবুত হবে।

দাঁতের ফাঁক বা ছোট জায়গায় খাবারের অংশ আটকে গেলে ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করা। এটি ক্যাভিটি ও মারির রোগ প্রতিরোধে সহায়ক। মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করলে মুখের ব্যাকটেরিয়া কমে এবং মুখকে সতেজ রাখে। তবে অ্যালকোহল যুক্ত মাউথ ওয়াস অতিরিক্ত ব্যবহার করবেন না। খাবারের ফাঁকে থেকে বের করতে ডেন্টাল ফ্লস বা ইন্টার ডেন্টাল ব্রাস ব্যবহার করুন। পেন্সিল বা অন্য ধারালো জিনিস ব্যবহার করবেন না। এতে দাঁতের ভেতরে ক্ষত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এবং পরবর্তীতে ব্যথা হতে পারে।

দাঁতের মাড়ির যত্ন নেয়ার উপায়

দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখা দাঁতের যত্নের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মাড়ি ভালো না থাকলে দাঁত দুর্বল হয়ে যেতে পারে এমনকি দাঁত নড়ে যাওয়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে। দাঁতের যত্ন নেওয়ার জন্য প্রতিদিন নিয়মিত ভাবে নরম ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করা জরুরী। আমরা অনেকে আছি ব্রাশ করার সময় অনেক জোরে জোরে করি যা আমাদের দাঁতের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এতে করে মাড়ি কেটে যেতে পারে এবং রক্তপাত হতে পারে। তাই ব্রাশ করার সময় হালকা চাপ দিয়ে ব্রাশ করা উচিত। পাশাপাশি জিহবা পরিষ্কার করলে মুখের ভেতরে ক্ষতিকর জীবনও ধ্বংস হয়ে যায়। এতে মারি ভালো থাকে এবং ব্যথা কমে।

মারিস স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত লবণ পানির গড়গড়া করা খুব উপকারী। হালকা গরম পানিতে সাবানোর লবণ মিশিয়ে দিন একবার দুইবার কুলি করলে মারি ফোলা ও ব্যথা কমে এবং জীবাণু নষ্ট হয়। যদি আপনার ব্যাথার কারণে গাল ফুলে থাকে তাহলে হালকা গরম পানি সেদ দিতে পারেন। এতে আপনার গাল ফুলা কমে যাবে এবং ব্যথা কমবে। এছাড়াও দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাবার পরিষ্কার করার জন্য ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করা উচিত। কারণ শুধু ব্রাশ দিয়ে দাঁতে সব অংশ পরিষ্কার হয় না। দাঁতের ফাঁকে খাবার জমে থাকলে মাড়িতে ব্যথা ও রক্তপাতের সমস্যা বাড়তে পারে।

খাবারের দিক দিয়েও বিশেষ নজর দেওয়া জরুরী। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন লেবু, কমলা, আমলকি ও সবুজ শাকসবজি মারি শক্ত রাখতে সাহায্য করে। তবে যে খাবারগুলো খেলে আমাদের তাদের ক্ষতি হয় সেগুলো না খাওয়াই ভালো। যদিও খায় তবে অল্প পরিমাণে। যে পরিমাণ খেলে তাদের ক্ষতি না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেমন অতিরক্ত মিষ্টি, ও ধূমপান মাড়ির জন্য খুব ক্ষতিকর। কারণ এগুলো মাড়ির সংক্রমন ও রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ায়। যদি নিয়মিত মারি ফুলে যায় রক্ত পড়ে বা ব্যথা অনুভূতি হয় তাহলে দেরি না করে অবশ্যই দেন টেস্টের কাছে যাওয়া উচিত।

দাঁতের যত্ন নেওয়া পাশাপাশি আমাদের খাবারের দিকে সচেতন থাকতে হবে। কারণ স্বাস্থ্যকর খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের যেমন উপকার ঠিক তেমনি দাঁতেরও উপকার হয়। এজন্য ভিটামিন এর পাশাপাশি ক্যালসিয়াম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর মত প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে সে খাবারগুলো খাওয়া আমাদের দাঁতের জন্য অনেক উপকারী। তাই দাঁত ভালো রাখতে হলে স্বাস্থ্যকর খাবারের প্রয়োজন। সঠিক যত্ন ও সচেতনতায় নারীকে সুস্থ রাখে এবং দাঁতকে দীর্ঘদিন ভালো রাখতে সাহায্য করে।

নিয়মিত ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়ার গুরুত্ব

নিয়মিত ডেন্টেস্টের কাছে যাওয়া দাঁত ও মারি সুস্থ রাখার জন্য প্রয়োজন। অনেক সময় দাঁতের সমস্যা শুরু হলে আমরা তা বুঝতে পারি না। যেমন দাঁতের ক্ষয়, ছোট ছিদ্র বা মারির ভিতরে ব্যথা। ডেন্টেস নিয়মিত পরীক্ষা করলে এসব সমস্যা প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়ে এবং সহজে চিকিৎসার সমাধান করা যায়। এতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ব্যাথা, দাঁত তোলা বা ব্যয়বহুল চিকিৎসা এড়ানো সম্ভব হবে।

আরো পড়ুনঃ বুকের মাঝখানে ব্যথা ওষুধ সম্পর্কে জানুন

নিয়মিত ডেন্টিস্টের কাছে গেলে দাঁতের জমে থাকা শক্ত ময়লা বা টার্টার পরিষ্কার করা যায় যা শুধু দূর হয় না। এ ময়লা দীর্ঘদিন জমে থাকলে মাড়ির ফোলা, রক্তপাত ও মুখের দুর্গন্ধ সংস্থা দেখা দিতে পারে। এছাড়া ডেন্টিস্ট দাঁত পরিষ্কার করা সঠিক পদ্ধতি, উপযুক্ত ব্রাশ ও টুথপেস্ট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। যা দৈনন্দিন জীবনে আমাদের দাঁতের যত্নকে আরো কার্যকর করে তোলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ৬ মাসে একবার ডেন্টিস্ট এর কাছে যাওয়া সবচেয়ে ভালো। তবে যদি দাঁতে ব্যথা, মারি ফোলা, রক্তপাত, দাঁত নড়ে যাওয়া বা মুখে দুর্গন্ধের মত সমস্যা দেখা দেয় তাহলে দেরি না করে দ্রুত ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া ভালো। নিয়মিত পরামর্শে শুধু দাঁত সুস্থ রাখে না বরং সার্বিক মুখের স্বাস্থ্য ও আত্মবিশ্বাস বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই যখন আপনি আপনার দাঁতের লক্ষণ বুঝতে পারবেন সাথে সাথে ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। এতে করে আপনার বড় কোন ধরনের সমস্যা হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।

উপসংহার দাঁতের যত্ন কিভাবে নিব তার উপায়

আমরা এতক্ষণ জানলাম দাঁতের যত্ন কিভাবে নিব তার উপায় গুলো।দাঁতকে সুস্থ রাখতে হলে অবশ্যই আমাদের দাঁতের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। এজন্য দাঁত সুন্দরও মজবুত করার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবারের প্রয়োজন। সঠিক পরিচর্যা এবং পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে দিয়ে আপনি আপনার দাঁত সুন্দর মজবুত করতে পারবেন। এবং নিয়ম অনুসারে আপনি যদি প্রতিদিন তাদের যত্ন নিন তাহলে আপনার দাঁত হবে মজবুত এবং দুর্গন্ধ মুক্ত। তাই দাঁত সুস্থ রাখতে নিয়মিত ব্রাশ,ফ্লস ব্যবহার, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং নিয়মিত ডেন্টিস্টার পরামর্শ জরুরী। ছোট ছোট অভ্যাসে দীর্ঘ মিয়াদি দাঁত সুস্থ রাখে এবং জীবনের প্রত্যেকটি হাসি কে উজ্জ্বল করে তোলে। এতক্ষন মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।  

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪