কাঁচা কলা খাওয়ার উপকারিতা এবং পুষ্টিগুন

কাঁচা কলা খাওয়ার উপকারিতা গুলো জানবো।কাঁচা বা পাকা কলা একটি জনপ্রিয় ফল। তবে আগে সিজিননাল ফল হিসাবে পাওয়া যেত। বর্তমানে এখন বারোমাসে এই ফল পাওয়া যায়।বাজারে গেলে কাঁচা কলা পাওয়া যায়। কাঁচা কলা রান্না করে খাওয়া যায়।

কাঁচা-কলা-খাওয়ার-উপকারিতা

কাঁচা কলার যে পুষ্টিগুণগুলো রয়েছে তা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার।তবে বর্তমানে এখন মানুষ কলার চাষ করছে।বিশেষ করে রমজান মাসে পাকা কলা চাহিদা আরো বাড়ে। আজকে আমরা আর্টিকেলে জানব কাঁচা কলা খাওয়ার উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ গুলো সম্পর্কে।

কাঁচা কলা কি এবং কলার প্রকারভেদ

কাঁচা কলা মূলত পাকা কলা চেয়ে  শক্ত। কাঁচা কলা হলো সেই কলা যা পাকা হয়নি। সাধারণত এটি সবুজ রঙের এবং শক্ত হয়। কাঁচা কলা রান্না করে বা হালকা ভেজে খাওয়া যায়। এটি পাকা কলার তুলনায় বেশি স্টার্চ, ফাইবার এবং পুষ্টি উপাদান ধারণ করে। কাঁচা কলার রং সবুজ হওয়ার কারণ হলো প্রাকৃতিকভাবে এর মধ্যে থাকা ক্লোরোফিল যা পাকা হলে কমে যায়। যার কারণে কলার রং পাকলে হলুদ হয়ে যায়।

কখনো কখনো কিছু জাতের কাঁচা কলায় হালকা সবুজ হলুদ ছাপ থাকতে পারে। কাচা কলার মূল উৎপত্তি হল দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায়। বিশেষ করে ভারত, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া এবং মায়ানমার অঞ্চলের একটি প্রাচীনকাল থেকে চাষ হয়। আজকের দিনে কাঁচা কলা বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, আফ্রিকার কিছু দেশ ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে ব্যাপকভাবে চাষ হয়।কাঁচা কলা চাষের জন্য উষ্ণমন্ডলীয় জলবায়ু, পর্যাপ্ত বৃষ্টি এবং উর্বর মাটির প্রয়োজন।

আরো পড়ুনঃ পানির উপকারিতা এবং অপকারিতা

আবার কলা আমাদের খাদ্য তালিকার অন্যতম জনপ্রিয় ফল। পৃথিবীতে কলা প্রায় একশটির বেশি প্রজাত আছে। তবে প্রধানত এগুলোকে দুটি বড় ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন পাকা কলা এবং কাঁচা কলা। এছাড়া কলা কে তার আকার, রং,স্বাদ ও ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী ভাগ করা যায়। আবার কাঁচা কলা মূলত কলার জাত ভেদ বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। এগুলো সাধারণত বাজারজাত ও দেশের আঞ্চলিক জাত হিসেবে ভাগ করা হয়েছে। বাজারজাতের প্রধান কাঁচা কলা যেমন সর্বকলা, লম্বু বা লং কলা, কলা বনানা। আঞ্চলিক কাঁচা কলার জাত হল যেমন কাঁটা কলা, বঙ্গ কাচা কলা, মেঘলা কাঁচা কলা।

কাঁচা কলার পুষ্টিগুণ ও উপাদান

কাঁচা কলা প্রায় সব বাড়িতে রান্না হয়। কেউ কাঁচা কলার ঝোল বা ভাজি খাই। বা বিভিন্ন সবজির সাথে দিয়ে রান্না করে খায়। কলা খেলে আমাদের স্বাস্থ্যের উপকার আছে। কারণ কলা হচ্ছে একটি স্বাস্থ্যকর ফল। যা খেলে শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা থাকে। কারণ কলার যে পুষ্টিগুণগুলো রয়েছে তা হচ্ছে প্রাকৃতিক উপাদান। কারণ এটি প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়। তাই কাঁচা কলা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেকটাই কার্যকরী খাবার। কাঁচা খালা খেলে কি পুষ্টিগুণ পায় তা হল।

  • ক্যালোরি এবং কার্বোহাইড্রেট যা কাঁচা কলাতে রয়েছে।১০০ গ্রাম কাঁচা কলায় প্রায় ৮৯-৯০ ক্যালোরি থাকে।
  • কাঁচায় কলায় প্রচুর পরিমাণে ডায়োটারি ফাইবার থাকে।
  • কাঁচা কলা ভিটামিনের ভালো উৎস। যেমন ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ ও ভিটামিন ই।
  • কাঁচায় কলা বিভিন্ন মিনারেল সমৃদ্ধ যার শরীরে নানা কার্যক্রমে সাহায্য করে যেমন পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং লোহা।
  • কাঁচায় এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে।
  • কাঁচা কলার প্রায় ৭৫-৮০% অংশ পানি।
  • কাঁচা কলায় আরো অন্যান্য উপাদান থাকে যেগুলো শরীরের প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।

কাঁচা কলা কি এবং এর প্রকারভেদ আর সেই সাথে জানলাম পুষ্টিগুণ। কলা খেলে আমাদের স্বাস্থ্যের বিভিন্ন উপকার হয়। কারণ পুষ্টিগুণগুলো জানলাম। যেগুলো  প্রাকৃতিক উপাদান যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার। এবং কাঁচা কলা খাওয়ার উপকারিতা গুলো এখন নিচে আলোচনা করব।

হজম শক্তি বৃদ্ধি করে

কাচা কলার অন্যতম প্রধান উপকারিতা হলো হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। কাঁচা কলাই থাকা ফাইবার এবং রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ আমাদের গাট হেলথ উন্নতি করে। অনেক মানুষ আছে যাদের হজম শক্তি অনেক কম। সহজে তারা খাবার হজম করতে পারে না। কিছু খেলে ওদের পেটের সমস্যা দেখা দেয়। কাচায় কলা থাকা যে পুষ্টিগুণগুলো রয়েছে তাই এ হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। নিয়মিত কাঁচা কলা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে। এটি হজম প্রক্রিয়ার দ্রুত করে এবং ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সকালে সেদ্ধ বা হালকা ভাজা খরচা কলা খেলে সারাদিন হজম সহজে হয়।

ওজন নিয়ন্ত্রণ করে

বর্তমানে মানুষের ওজন নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তা। কারণ মানুষের কাজের চাপ প্রচুর। যার কারণে মানুষ ওজনের দিকে খেয়াল রাখতে পারে না। ব্যস্ততার জীবনে মানুষ এতটাই পড়েছে যে স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখার সময় নাই। খাবার খাওয়ার সময় নাই। সব সময় কেমন ব্যস্ততার ভিতরে থাকে। যার কারণে মানুষের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। তবে যারা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাদের জন্য কাঁচা কলা খাওয়া অনেক উপকার। কারণ কাঁচা কলায় যে পুষ্টিগুণগুলো রয়েছে তা আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেকটাই কার্যকর। আপনি যদি কাঁচা কলা রান্না করে খান তাহলে কলার যে পুষ্টিগুণ রয়েছে তাতে আপনার পেট ভরা থাকবে। বারবার খিদে লাগা প্রবণতা কমে যাবে। যারা ডায়েটিং করেন তাদের জন্য কাঁচা কলা স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

বর্তমানে মানুষের একটি প্রচারিত রোগ হচ্ছে ডায়াবেটিস। যা প্রায় মানুষের হয়ে আছে। ডায়াবেটিস রোগীদের অনেক খাবার বেছে খেতে হয়। কারণ তারা চাইলেই সব খাবার খেতে পারে না। আবার খাওয়ার সময় তাদেরকে পরিমান মত খেতে হবে। বেশি খেলে তাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতি। যাদের ডায়াবেটিস আছে এবং নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাদের জন্য কাঁচা কলা খাওয়া অনেক উপকারী হবে। কারণ এতে কিছু উপাদান আছে যা রক্তের চিনি গ্লুকোজ ধীরে ধীরে বাড়াতে সাহায্য করে। কাঁচা কলায় থাকা স্টার্চ সহজে হজম হয় না।

যার ফলে এটা পেটে ধীরে ধীরে ভাঙ্গে এবং রক্তে চিনে ধীরে ধীরে ছড়ায়। ফলে রক্তের চিনি ঝটপট বৃদ্ধি হয় না যার ডায়বেটিস রোগীদের জন্য খুব ভালো। কাঁচা কলার ফাইবার পেটে জেল ধরনের অবস্থায় থাকে। এটা খাবারের সঙ্গে শর্করাকে আটকে রাখে এবং রক্তে চিনি ধীরে ধীরে ঢুকে। ফলে ইনসুলিনের ওপর চাপ কমে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কাঁচা কলা পাকা কলার তুলনায় কম মিষ্টি। যার কারণে কাচা কলা খেলে চিনি একসাথে নয় ধীরে ধীরে প্রবেশ করে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।

রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

কাঁচা কলা খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কারণ কাঁচা কলায় যে পুষ্টিগুণ রয়েছে তা স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে অনেকটাই কার্যকর। যারা দুর্বল এবং ঘন ঘন সর্দি কাশি ও জ্বর হয় তাদের জন্য কাঁচা কলা খাওয়া অনেক উপকার। আর সেই সাথে যাদের খাবার খাওয়ার পরে বদহজম হয় বা পায়খানা পাতলা হয় তাদের জন্য কাঁচা কলা খাওয়া অনেকটাই নিরাপদ। কারণ পাতলা পায়খানায় হওয়ার পরে কাঁচা কলা রান্না করে খেলে পায়খানা অনেকটা সহজ হয়ে যায়। আবার পাকা কলা খেলেও উপকার পাওয়া যায়। কাঁচা কলায় থাকা ভিটামিন সি শরীরকে সংক্রমনের বিরুদ্ধে শক্তিশালী করে। সাধারণ ঠান্ডা, কাশি গলা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান কোষ ক্ষয় রোধ করে।

শক্তি ও কর্ম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

বর্তমানে মানুষ অনেক ব্যস্ত। যার কারণে মানুষ ঠিক মত খাবার খায় না সেজন্য শরীরে পুষ্টি ও পায় না। এতে শরীর দুর্বল থাকে। একটু কাজ করতে যেয়ে হাঁপিয়ে যাই। যার কারনে মানসিক দুশ্চিন্তায় ভোগে। রাতে ঠিকভাবে ঘুম হয় না। আবার বাচ্চারা আছে যারা ঠিকমতন খেতে চায় না। যার কারণে পড়াশুনায় তারা পিছিয়ে থাকে এমনকি কোন কাজে তাদের মন বসে না। খেলাধুলায় অমনোযোগী। কারো সাথে মিশতে চাই না। সব সময় তাদের মেজাজ খারাপ থাকে। তবে কাঁচা কলা খেলে শক্তি ধীরে ধীরে সরবরাহ হয় ফলে সারাদিন কর্ম ক্ষমতা বাড়ে। তাদের কাজের মধ্যে ক্লান্তি কমায়। খেলাধুলা বা শারীরিক পরিশ্রমের আগেই খেলে শক্তি বজায় রাখে। তাই সকালে হালকা সেদ্ধ কাঁচা কলা খেলে অফিস বা স্কুলের কাজে মনোযোগ বাড়ে।

গলার জন্য বিশেষ উপকারিতা

গলার উপকারিতা অনেকে কম জানে। কাঁচা কলা খেলে আমাদের স্বাস্থ্যের উপকারিতা হয় আমরা জানি। কিন্তু আমাদের গলার যে উপকারিতা হয় সে সম্পর্কে আমরা কয়জনে বা জানি। কাচা কলা খেলে আমাদের গলার স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করে। আসুন আর কি কি উপকার হয় তা নিজে জেনে নিন।

  • কাঁচা কলা খেলে গলার শুষ্কতা কমায়। কাঁচা কলার প্রাকৃতিক মিউসিলেজ গলাকে ভেতর থেকে আদ্র। যার ফলে আমাদের গলা ভালো থাকে।
  • আমাদের গলা মাঝে মাঝে হঠাৎ করে জ্বালাপোড়া করে। কাঁচা কলা খেলে ক্ষারীয় প্রভাব অ্যাসিডিটির কারণে গলার জালা ভাব কমাতে সাহায্য করে।
  • আমাদের অনেক সময় ঠান্ডা লাগার কারণে গলা ব্যথা করে। ঠিক ভাবে খেতে পারি না। ঢোক গিলতে প্রচুর গলা ব্যথা করে। তখন আমাদের প্রচুর সমস্যা হয় খাবার খেতে। তবে কাঁচা কলা হালকা সেদ্ধ বা ভাজা কাঁচা কলা নরম অবস্থায় খেলে গলার পেসি শিথিল।
  • ঠান্ডা লাগার কারণে অনেক সময় আমাদের অতিরিক্ত কাশি হয়। যা আমাদের জন্য ভালো না। অনেক সময় কাশতে কাশতে বমি হয়ে যায়। শরীরে কেমন ক্লান্তি ভাব চলে আসে। যার কারণে ঘুম ঠিক মত হয় না। তবে কাঁচা কলার নরম টেক্সচার গলায় জ্বালা না দিয়ে কাশি কমাতে সাহায্য করে।
  • কাঁচা কলা থাকা যে ভিটামিন বি৬ এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ইমিউন সাপোর্ট দেয়। যার ফলে আমাদের গলার সংক্রমণ প্রতিরোধের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
  • যারা বেশি কথা বলে বা গান করে তাদের গলার আবরণ কে সাপোর্ট করে। কাঁচা কলায় থাকা যে পুষ্টিগুণগুলো রয়েছে তা আপনার গলার জন্য অনেক উপকারী খাবার।

কাঁচা কলা খাওয়ার সঠিক নিয়ম

কাঁচা কলা আমরা রান্না করে বা কাঁচা খাই। তবে রান্না করে খেলে এর পুষ্টিগুণ গুলো কিছুটা হলে কমে। কিন্তু হালকা সেদ্ধ বা কাঁচাটা খেলে বেশি পুষ্টিগুণ পাওয়া যায়। কলা খাওয়ার কিছু নিয়ম মেনে চলে স্বাস্থ্যের উপকরণ বেশি হয়। কারণ কলার যে পুষ্টিগুণ রয়েছে তা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক কার্যক। এজন্য খাওয়ার আগে অবশ্যই নিয়ম মেনে খাবেন। কারণ নিয়ম মেনে খেলে বা নিয়ম অনুযায়ী কাজ করলে উপকার বেশি পাওয়া যায়। আসুন নিচে কাঁচা কলা খাওয়ার সঠিক নিয়ম গুলো জেনে নিন।

আরো পড়ুনঃ কাঠবাদাম ভিজিয়ে খাওয়ার উপকারিতা

  • রান্না বা হালকা সেদ্ধ অবস্থায় খাওয়া ভালো।
  • দিনে ১-২ টির মাঝারি কাঁচা কলা যথেষ্ট।
  • রাতে খাবারের আগে খুব বেশি না খাওয়া উচিত।
  • শিশুরা ও বৃদ্ধরা প্রয়োজনে ডাক্তার পরামর্শ নিয়ে খেতে পারবে।
  • কলা রান্না করার আগে ভালো করে ধুয়ে এবং চোকা ছেলে রান্না করবে।
  • রান্না করা আগে পচা কলা থাকলে তা ফেলে দিতে হবে।

উপসংহার কাঁচা কলা খাওয়ার উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ

কাঁচা কলা একটি সহজলভ্য এবং স্বাস্থ্যকর খাবার। কাঁচা কলা হচ্ছে বহু উপকারী ফল। কাঁচা কলা খেলে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এবং এটি গলার জন্য বিশেষ উপকার। নিয়মিত সঠিক পরিমাণে কাঁচা কলা খেলে স্বাস্থ্য, শক্তি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সবই বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় কাঁচা কলা অন্তর্ভুক্ত করা একদম স্বাস্থ্যকর সিদ্ধান্ত। আসুন নিজেকে সুস্থ রাখতে এবং স্বাস্থ্য নিরাপদের জন্য খাদ্যের তালিকায় কাঁচা কলা রাখার চেষ্টা করি ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪