খেজুর খাওয়ার ৮টি উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ

খেজুর একটি জনপ্রিয় ফল। খেজুর খেলে আমাদের স্বাস্থ্যের উপকারিতা রয়েছে। বাজারে বারোমাস খেজুর পাওয়া যায়। তবে খেজুর মানুষ আগে এতটা খেত না এখন যতটা খাচ্ছে। রমজান মাসে মানুষ বেশি খায় কিন্তু বর্তমানে মানুষ এখন সব সময় খেজুর খাচ্ছে। খেজুরের যে পুষ্টিগুণগুলো রয়েছে তা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অধিক কার্যকর। খেজুর খাওয়া সুন্নত।

খেজুর-খাওয়ার-৮টি-উপকারিতা

নবী করিম (সাঃ) খেজুর খেতে পছন্দ করতেন। হাদিসে এসেছে যে ব্যক্তি সকালে তিনটি আজওয়া খেজুর খাবে সেদিন তাকে কোন বিষ বা জাদু ক্ষতি করতে পারবেনা। এখান থেকে বোঝা যায় যে খেজুর শুধু পুষ্টিকর খাদ্য নয় বরং এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রহমতের একটি ফল। খেজুর আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকার বুঝতে পারছেন। খেজুর খেলে আর কি কি উপকার হয় তা জানি।

শরীরের তৎক্ষণিক শক্তি বৃদ্ধি

খেজুর খাওয়া আমাদের সকলেরই উচিত। কারণ খেজুরের যে পুষ্টিগুণগুলো রয়েছে তা হচ্ছে প্রাকৃতিক। প্রাকৃতিক যে পুষ্টিগুণ রয়েছে তা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে আমাদের সকল ধরনের স্বাস্থ্য ও সমস্যা থেকে শরীরকে রক্ষা করে। সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই আমাদেরকে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন। সেরকম আরেক একটি ফলের নাম হচ্ছে খেজুর। খেজুর খেলে শরীরের তাৎক্ষণিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।

কারণ খেজুরে রয়েছে প্রাকৃতিক চিনি যেমন গ্লুকোজ ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজ প্রচুর পরিমাণে থাকে। এই প্রাকৃতিক শর্করা খুব দ্রুত রক্তে মিশে যায় এবং শরীরকে তাৎক্ষণিক এনার্জি সরবরাহ করে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর যেমন রোজা বা উপবাসের সময় খেজুর খাওয়া শরীরের ক্লান্তি দূর করে দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে আনে।

খেজুরে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট যা খাবার দ্রুত হজম করে ফলে পেটের অতিরক্ত চাপ থাকে না। এছাড়া খেজুরের পটাশিয়াম আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম এর মত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে। যা শরীরের দুর্বলতা কমায় এবং পেশির স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে। তাই আমাদের সকলের উচিত প্রাকৃতিক শক্তি হিসাবে খেজুর খাওয়া অন্যতম উৎস হিসেবে ধরা হয়।

হজম শক্তি উন্নতি করে

আমাদের মানুষের প্রায়ই সমস্যা হয় হজমের। খাবার যদি ঠিক মতন হজম করতে না পারে তাহলে বদহজম হয়। যার কারণে বিভিন্ন সমস্যা হয় যেমন পেট ব্যথা বমি হওয়া মাথাব্যথা এমনকি অস্থিরতা লাগে নিজের ভিতরে। তাই আমাদের গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে খাবারের হজম। কারণ খাবারের হজম না হলে স্বাস্থ্য ঠিক থাকে না। তাই খাবার হজম করার জন্য প্রতিদিন আমাদের খেজুর খাওয়া উচিত। খেজুরের যে পুষ্টিগুণগুলো রয়েছে তা হজম শক্তি উন্নত করতে অনেক উপকারী। তাই খেজুর হচ্ছে একটি প্রাকৃতিক ফল যা হজম শক্তি উন্নত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা খাদ্য আঁশ অন্ত্র স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখে এবং খাবার সঠিকভাবে পরিপাক হতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন বি কখনই উপাদান হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় রাখে এবং অন্ত্রের উপকারের ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। হলে পেটের হজমের যে সমস্যা গুলো হয় তা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং সামগ্রিকভাবে হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।

হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখা

আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে হৃদপিণ্ড। হৃদপিণ্ড হলো একটি পেশী বহুল যা অঙ্গ বা সারাক্ষণ রক্ত পাম্প করে  সারা  শরীরে পৌঁছে দেয়। হৃদপিণ্ড শরীরের সব অংশে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পৌঁছে দেওয়া শরীর থেকে দূষিত কার্বন-ডাই-অক্সিডেন্ট যুক্ত করে রক্তে ফুসফুসে পাঠানো আবার শরীরকে সচল ও জীবিত রাখা তার কাজ। যদি হৃদপিণ্ড বন্ধ হয়ে যায় তাহলে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে তখন মানুষ বাঁচতে পারে না। এক কথায় বলতে পারেন হৃদপিণ্ড হলো একটি পানির মোটর। মোটর পানি তুলে বাড়ির সব জায়গায় পাঠায় তেমনি হৃৎপিণ্ড রক্ত তুলে শরীরে সব জায়গায় পাঠায়।

আরো পড়ুনঃ কাঁচা কলা খাওয়ার উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ

আর এই হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখা আমাদের সকলেরই উচিত। এজন্য আমাদেরকে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। এই হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখার জন্য সেরকম একটি খাবারের নাম হচ্ছে খেজুর। খেজুরের যে পুষ্টিগুণগুলো রয়েছে তাই এই হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখার জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখে। খেজুর খেলে রক্ত চলাচলে স্বাভাবিক হয় এবং হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে। তাই আমাদের প্রতিদিন খাবারের তালিকায় একটা করে হল খেজুর রাখা প্রয়োজন।

রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করা

রক্তস্বল্পতা হলো এমন একটি অবস্থা যখন আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিন কমে যায়। হিমোগ্লোবিন হল সেই উপাদান যা রক্তের মাধ্যমে শরীরে অক্সিজেন বহন করে। সহজ করে বলা যায় শরীরে রক্ত ঠিক মতন অক্সিজেন পৌঁছে দিতে না পারলে তাকে রক্তস্বল্পতা বলা হয়। এ রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করার জন্য খেজুর হচ্ছে উত্তম খাবার। তাই খেজুর রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রক্তস্বল্পতা সাধারণত শরীরের পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে হয় যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে আয়রনের ঘাটতির ফলে। খেজুর খেলে প্রাকৃতিকভাবে আয়রন থাকে যার রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে এবং শরীরে অক্সিজেন পরিবহন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাতে সাহায্য করে। তাই আমাদের সকলের উচিত প্রতিদিন নিয়ম করে পরিমাণ মতন খেজুর খেলে দুর্বলতা মাথা ঘোরা বা ক্লান্তির মত উপসর্গ কমতে পারে। এছাড়াও খেজুরের থাকা ফলিক এসিড ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান নতুন রক্ত কণিকা তৈরিতে সহায়তা করে।

হাড়ের স্বাস্থ্য মজবুত করা

খেজুর খাওয়ার ৮টি উপকারিতা মধ্যে আরেকটি হচ্ছে হাড়ের স্বাস্থ্য মজবুত করা। হাড়ের স্বাস্থ্য মজবুত করার মানে হচ্ছে আর আমাদের শরীরের কাঠামো। হার শক্ত না হলে শরীর দুর্বল হয়ে যায় ব্যথা বাড়ে এবং সহজে ভেঙে যেতে পারে। তাই ছোটবেলা থেকে হাড়ের যত্ন নেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই হাড়ের স্বাস্থ্য মজবুত রাখতে সহায় হোক একটি পুষ্টিকর ফল খেজুর। এতে ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ফসফরাস ও পটাশিয়াম এর মত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান রয়েছে।

যা হারের গঠন ও দ্রুত বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত পরিমাণ মতন খেজুর খেলে হাড়ের ঘনত্ব ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড়ের ক্ষয় বা দুর্বল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কিছুটা কমাতে সহায়তা করে। বিশেষ করে যারা ক্যালসিয়ামের ঘাটতিতে ভোগেন বা বৃদ্ধ বয়সে হাড়ের সমস্যার পড়ার আশঙ্কা থাকে তাদের জন্য খেজুর একটি উপকারী প্রাকৃতিক খাদ্য হতে পারে।

এছাড়া খেজুরের থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। যা হার ও জয়েন্টের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে হাড়ের স্বাস্থ্য মজবুত করার জন্য শুধু খেজুর খেলে হবে না তার সাথে আপনাকে খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন দুধ শাকসবজি সূর্য থেকে ভিটামিন ডি এবং নিয়মিত হালকা ব্যায়াম। এগুলো হারের স্বাস্থ্য মজবুত করার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি

মস্তিষ্ক যেটা আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। কারণ মস্তিষ্কের ভেতরে আমাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অর্গান থাকে। যেমন চিন্তা করা মনে রাখা সিদ্ধান্ত নেওয়া সবকিছুই মস্তিষ্কের কাজ। বলতে পারেন মস্তিষ্ক আমাদের শরীরের নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্র। তাই মস্তিষ্ক সুস্থ করে রাখা আমাদের সকলেরই প্রয়োজন। কারণ মস্তিষ্ক ঠিক না থাকলে বেঁচে থাকা কষ্টকর। তাই মস্তিষ্কের কার্যকর বৃদ্ধির জন্য উপকারী ফল হচ্ছে খেজুর এবং পুষ্টিকর খাবার। খেজুরে রয়েছে প্রাকৃতিক শর্করা যা মস্তিষ্কে দ্রুত শক্তি যোগায়। ক্লান্তি মনোযোগের ঘাটতি বা মানসিক অবসাদ কমাতে খেজুর উপকারী হতে পারে। এছাড়া খেজুরের থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান মস্তিষ্কের কোষকে ক্ষতিকর ফ্রি ‍ র‍্যাডিক্যালের প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে যা স্মৃতি শক্তি ও চিন্তা শক্তি সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে শিশুদের বেড়ে ওঠার সময় ও বয়স্কদের স্মৃতিশক্তি রক্ষায় খেজুর একটি উপকারী প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হলো প্রাকৃতিক যৌগ যা আমাদের শরীরকে ফ্রি ‍ র‍্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে।ফ্রি ‍ র‍্যাডিক্যাল হল ক্ষতিকর রাসায়নিক যা কোষের ক্ষতি করতে পারে এবং বয়স বাড়ায়। সুতরাং এন্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে সুস্থ ও রোগ প্রতিরোধ রাখে। তাই খেজুরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এতে রয়েছে ফ্ল্যাভোনয়েড ক্যারোটিনয়েড ফেনলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন সি এর মত প্রাকৃতিক এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের কোষকে ক্ষতিকর ফ্রি ‍ র‍্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে। এই উপাদান গুলো শরীরের ব্যথা কমাতে বার্ধক্য জনিত ক্ষতি ধির করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত খেজুর খাওয়া শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখে এবং হৃদরোগ ক্যান্সার বা অন্যান্য জটিল রোগের ঝুঁকির কমাতে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

রক্তে শর্করা ও ওজন নিয়ন্ত্রণ

রক্তের শর্করা হলো গ্লুকোজ যা আমাদের শরীরের মূল শক্তির উৎস। তবে যদি রক্তের চিনে বেশি বা কম থাকে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। ওজন নিয়ন্ত্রণের সাথে রক্তের শর্করার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। খেজুর খাওয়ার আটটি উপকারিতা এবং পুষ্টি গুণের মধ্যে আরেকটি হচ্ছে রক্তের শর্করা ও ওজন নিয়ন্ত্রণ। খেজুরের যে পুষ্টিগুণগুলো রয়েছে তা রক্তের শর্করা ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখে। কারণ মানুষ এখন ওজন নিয়ে অনেক সমস্যায় আছে।

আরো পড়ুনঃ কাঁচা পেঁপে খাওয়ার ৮টি উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ

তাই ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হলে এবং রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণের জন্য অবশ্যই প্রতিদিন নিয়ম করে পরিমাণ মতন খেজুর খাওয়া আমাদের সকলের উচিত এবং তার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবারগুলো। শুধু খেজুর খেলে স্বাস্থ্যের উপকার হবে কিন্তু পুষ্টিকর খাবার গুলো তার সাথে যোগ করলে আমাদের প্রত্যেকটা অঙ্গ পতঙ্গর শক্তি বা রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। তাই আমাদের সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার গুলো খাওয়া উচিত।

FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ পুরুষদের জন্য খেজুর খাওয়া কতটা নিরাপদ?

উত্তরঃ পুরুষদের জন্য দৈনিন্দন ৫-৭ টি মধ্যম আকারে খেজুর খাওয়া সাধারণত নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর। এটি অতিরিক্ত শর্করা ছাড়াই শক্তি ও পুষ্টি দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

প্রশ্নঃ রাতে খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকার?

উত্তরঃ রাতে খেজুর খাওয়া শরীরের জন্য উপকার। কারণ এটি সহজে হজম হয় এবং ঘুমের আগে শরীরকে প্রাকৃতিক শক্তি যোগায়। এতে থাকা খাদ্য আঁশ হজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি রাতে রক্তের শর্করা স্থিতিশীল রাখতে ও ওজন নিয়ন্ত্রণের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

প্রশ্নঃ প্রতিদিন কয়টি করে খেজুর খাওয়া উচিত?

উত্তরঃ প্রতিদিন সাধারণত ৫-৭ টি মাঝারি আকারে খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ মনে করা হয়। তবে এটি সবার জন্য একই রকম প্রযোজ্য নয় ডায়াবেটিস বা বিসের স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে চিকিৎসা পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণ কমানো বা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।

উপসংহার খেজুর খাওয়ার ৮টি উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ

খেজুর খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকার। উপরে খেজুর খাওয়ার ৮টি উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ আলোচনা করেছে। তবে খেজুর একটি প্রচলিত ফল হওয়ার কারণে বাজারে সবসময় পাওয়া যায় এবং এর চাহিদাও প্রচুর। বিশেষ করে রমজান মাসে এর চাহিদা দ্বিগুণ হারে বারে। কারণ সারাদিন রোজা রাখার পরে মানুষ খেজুর সর্বপ্রথম খায়। তাই আমাদের সুস্থ থাকার জন্য অবশ্যই খাদ্যের তালিকায় প্রাকৃতিক উপাদান সমৃদ্ধ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবারগুলো রাখা উচিত। যা খেলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়বে এবং রোগ বালাই থেকে মুক্ত থাকা যাবে ধন্যবাদ।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪