কলা গাছের ভেতরের অংশের ১৪টি উপকারিতা ও পুষ্টিগুন
কলা গাছের ভেতরের অংশের ১৪টি উপকারিতা ও পুষ্টিগুণগুলো আমরা এ লেখাতে জানব। আমরা কলা গাছ প্রায় সকলেই চিনি। কিন্তু কলা গাছের ভিতরে যে অংশগুলো রয়েছে তা আমাদের মানব দেহের জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখে উপকারের। অনেকে আছে যারা কলা গাছের ভিতর অংশ খেতে পছন্দ করে আবার কেউ পছন্দ করে না।
কিন্তু এর যে প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ রয়েছে তা অসাধারণ। বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গায় এ কলা গাছ দেখতে পাওয়া যায় এমনকি মানুষ এখন এ গাছের চাষও করছে। কলা খায় কিন্তু কলার ভেতরে যে অংশগুলো বা কান্ড মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ব্যবহার হয়ে আসছে। আসুন নিচে কলা গাছের ভেতরের অংশের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণগুলো বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে জানি।
কলা গাছের ভেতরের অংশ কি
কলাগাছ দেখতে গাছের মতো হলো প্রকৃতি পক্ষে এটি একটি বড় আকৃতির ভেষজ উদ্ভিদ। এর
যে মোটা অংশটি আমরা কান্ড মনে করি সেটাই আসলে পাতার স্তর দিয়ে তৈরি নরম ভেতরের
অংশ। কে অনেক অঞ্চলে কলা থোড় বা কলা কান্ড বলা হয়। বাইরের শক্ত ছড়িয়ে দিলে
ভেতরের সাদা ও নরম অংশ পাওয়া যায় যা রান্না করে বা বিভিন্নভাবে খাদ্য হিসেবে
গ্রহণ করা যায়। এটি সহজলভ্য ও প্রাকৃতিক হওয়ার কারণে গ্রামীণ
খাদ্যসংস্কৃতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কলা গাছের ভিতরে যে অংশগুলো রয়েছে তা
স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারে। যখন কলার গাছ কেটে ফেলা হয় তখন তার ভিতরে যে
অংশগুলো রয়েছে তা কেটে ছোট ছোট করে বের করে রান্না করে খাওয়া হয়।
কলা গাছের ভেতর অংশের পুষ্টিগণ
কলা গাছ আমাদের দেশে অত্যন্ত পরিচিতি একটি ভেষজ উদ্ভিদ। যার প্রতিটি অংশে মানুষের
উপকারে আসে। বিশেষ করে কলা গাছের ভেতরের অংশ বা কলা থোড় পুষ্টিগুণে ভরপুর একটা
প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে পরিচিতি। গ্রামবাংলায় দীর্ঘদিন ধরে এটি রান্না করে
খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। আধুনিক পুষ্টিবিদদের মতে এ অংশে থাকা ফাইবার ভিটামিন
ওখানেই উপাদান শরীর সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত খাদ্য
তালিকায় যুক্ত করলে হজম শক্তি বৃদ্ধির শরীর পরিষ্কার রাখা এবং অজুর নিয়ন্ত্রণ
সহযোগিতা পাওয়া যায়। তাই স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে কলাগাছের ভেতরের অংশের
গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এখন আমরা জানবো কলা গাছের ভিতরের অংশের পুষ্টিগুণ গুলোর
সম্পর্কে।
- খাদ্যআঁশ
- পটাশিয়াম
- ভিটামিন বি৬
- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান
- আয়রন
- কম ক্যালরি ও কম ফ্যাট
- পানির পরিমাণ বেশি
কলা গাছের ভেতরের অংশের ১৪টি উপকারিতা স্বাস্থ্যের
কলা গাছের ভিতরের অংশ বা কলা থোড় প্রাকৃতিকভাবে পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি
স্বাস্থ্যকর খাবার। দীর্ঘদিন ধরে গ্রাম বাংলার মানুষেরা এ খাবারটা খুব পছন্দ করে।
তবে এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে যার কারণে এর বাজারে দাম এখন বেশি। কারণ মানুষ এখন
স্বাস্থ্য দিক দিয়ে অনেক সচেতন। তাই মানুষ যেগুলো পুষ্টিগুনে ভরপুর তালিকায়
রাখার চেষ্টা করছে। কলা গাছের ভেতরের অংশের ১৪টি উপকারিতা রয়েছে। আমাদের
স্বাস্থ্যের কি কি উপকার করতে পারে চলুন তা জানি। যেটা সঠিকভাবে ব্যবহার
করলে স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারবে না।
আরো পড়ুনঃ
লেবু খাওয়ার উপকারিতা
- উচ্চ ফাইবার থাকার কারণে খাবার সহজে হজম হয় এবং পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
- নিয়মিত খেলে অন্ত্রের বা ভিতরে অংশ কাজগুলো স্বাভাবিক থাকে এবং কোষ্ঠকাঠানোর সমস্যা কমায়।
- শরীরে জমে থাকা টক্সিন বের করতে সহায়ক বলে অনেক পুষ্টিবিদ মনে করেন।
- কম ক্যালরি ও বেশি আস থাকার কারণে দীর্ঘক্ষন পেট ভরার অনুভূতি দেয়।
- পটাশিয়াম হৃদ স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের সহায়তা করে।
- রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করতে পারে।
- প্রাকৃতিকভাবে শরীরের পরিষ্কার রাখতে এবং মূত্রনালীর কার্যক্রম উন্নতি করতে সাহায্য করে।
- গরমের সময় শরীরের অতিরক্ত তাপ কমাতে উপকারী হতে পারে।
- ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা শক্তিশালী করে।
- আয়রন উপাদান রক্তের হিমোগ্লোবিন বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।
- পেটের অস্বস্তি ও অম্বল কমাতে সাহায্য কারি খাবার হিসেবে পরিচিতি।
- শরীরের ভেতরের পরিষ্কার থাকলে ত্বক উজ্জ্বল ও সতেজ থাকে।
- মূত্র পরিষ্কার রাখতে ও শরীরের অতিরক্ত পানি বের করতে সাহায্য করে। প্রসাবের সমস্যা কমাতে সহায় হোক।
- খনিজ উপাদান হৃদ যন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে।
কলা গাছের ভিতরের অংশ খাওয়ার নিয়ম
কলা গাছের ভেতরের অংশের ১৪টি উপকারিতা পাশাপাশি বা থোড় পুষ্টিকর ও
স্বাস্থ্যকর খাবার। তবে এটি খাবার সময় সঠিকভাবে প্রস্তুতি করা এবং পরিমাণমতো
গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ। অযথা বেশি খেলে হজম সমস্যা বা গ্যাস হতে পারে। তাই
প্রতিটি অংশে আলাদা আলাদা করে খাওয়ার নিয়ম জানা দরকার। নিজে আমরা বিস্তারিত
জানাচ্ছি কিভাবে ওর কত পরিমান খাওয়া উচিত।
- কান্ডের ভিতরে নরম অংশঃ বাহিরে শক্ত স্তর সরিয়ে ছোট টুকরা করে কাঁচা বা হালকা ভেজে তরকারি বা ভর্তার সঙ্গে খাওয়া যায়। যার পরিমান হবে দৈনিক ৫০-৭০ গ্রাম পর্যন্ত।
- মোচা বা কলা থোড়ঃ পরিষ্কার করে ছোট করে কেটে ডাল বা সবজির সঙ্গে রান্না করা ভালো।জুস হিসেবে নিতে চাইলে ব্লেন্ড করে ছোট পরিমাণে খাওয়া যায়। পরিমাণ হবে সপ্তাহে ২-৩ বার খেতে পারবে। যার পরিমান হবে প্রতিবার ৩০-৫০ গ্রাম।
- পাতার সংযুক্ত অংশঃ সরাসরি রান্না করে বা ভেজে সালাদের মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। যার পরিমাণ হবে ২০-৩০ গ্রাম প্রতিদিন।
- বাইরে শক্ত স্তরঃ সাধারণত এটি সরাসরি খাওয়া হয় না তবে সেদ্ধ করে কিছু রান্নার অংশ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এর পরিমাণ হবে ১০-২০ গ্রাম মাত্র।
- জুস বা ব্লেন্ড করা অংশঃ বা হালকা সেদ্ধ করে ব্লেন্ডার দিয়ে জুস বানিয়ে সকালে খাওয়া সবচেয়ে ভালো। যার পরিমাণ হবে প্রতিদিন ১০০ মিলি পর্যন্ত।
কলা গাছের ভেতরের অংশের রান্নার সহজ উপায়
কলা গাছের ভেতরের অংশ রান্না করা মোটেও জটিল নয়। গ্রাম অঞ্চলে অনেক মানুষ
দীর্ঘদিন ধরে এ অংশ রান্না করেছে আসছে। তাই এটি বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিক্তিতে সহজ ও
সুস্বাদু। রান্না শুরু করার আগে অবশ্যই বাইরের শক্ত স্তর সরিয়ে নিন এবং ভেতরের
নরম অংশ পরিষ্কার করে ছোট টুকরা করুন। আসল রান্নার রেসিপি গুলো জানি।
- সরাসরি তরকারিতে ব্যবহারঃ বাড়িতে আমি নিজের অভিজ্ঞতায় লক্ষ্য করেছি কলা কানের ছোট টুকরা করে সরাসরি সবজির সঙ্গে মিশিয়ে হালকা ভাজা বা তরকারি করলে স্বাদ অনেক ভালো হয়। এ পদ্ধতিতে খাওয়া সহজ ফাইবার ও পুষ্টিগুণ পুরোপুরি থাকে।
- ভর্তা বা পেস্ট বানানোঃ ভেতরের অংশ কয়েক মিনিট সিদ্ধ করে কষিয়ে ছোট ভাবে কাটা গেলে তা ভর্তার মতো পেস্ট বানানো যায়। আমি নিজে দেখেছি ভর্তার সঙ্গে সামান্য লবন হলুদ ও কাঁচা মরিচ মেশালে একটি রুচিকর এবং ডায়েট খাবার হিসেবে বেশি উপযোগী।
- জুস বা ব্লেন্ড ব্যবহারঃ কাঁচা কলা ব্লেন্ডার দিয়ে জুস তৈরি করা যায়। আমার অভিজ্ঞতায় সকালে এক কাপ কলা কান্ডের জুস খেলে হজম শক্তি বাড়ে এবং শরীরে হাইড্রেট থাকে। এতে কোন কৃত্রিম উপাদান ব্যবহার করতে হয় না।
- ডাল বা মাছের সঙ্গে রান্নাঃ রান্না সময় ছোট টুকরা করা কলা ডাল বা মাছের সঙ্গে মিশিয়ে রান্না করলে খাবারের স্বাদ নতুনত্ব আসে। শিশুদের জন্য সহজ পাত্র এবং পুষ্টিকর খাবার হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
- হালকা ফ্রাই বা স্টিম করাঃ কান্ডের অংশে হালকা তেল ফ্রাই করলে বা স্টিম করে খাবারে ব্যবহার করা যায়। আমার পরিবারের অভিজ্ঞতায় স্টিম করা থোড় ছেলে ফাইবার ও পুষ্টিগুণ ক্ষতি হয় না এবং খাবারের স্বাদও ভালো থাকে।
সর্তকতা ও অপকারিতা
কলা গাছের ভেতরের অংশের ১৪টি উপকারিতা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হল এটি খাওয়ার
সময় কিছু সতর্কতা রাখা জরুরি। অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া বা সঠিকভাবে রান্না না
করা হলে হজম হয় সমস্যা গ্যাস বা অম্বলের সৃষ্টি হতে পারে। যাদের পেটে সংক্রান্ত
সমস্যা ডায়াবেটিস বা অন্য কোন দীর্ঘ মিয়াদে রোগ রয়েছে তাদের চিকিৎসকের
পরামর্শ ছাড়া নতুন খাদ্যের তালিকায় যুক্ত করা উচিত। সঠিকভাবে ও পরিমান মত
খাওয়া হলে এর উপকারিতা অনেক বেশি কিন্তু অতিরক্ত খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে
পারে। অপকারিতা গুলো কি জানি।
- অনিয়মিত বা বেশি খেলে পেট ফোলা ভাব অম্বল বা হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- পরিষ্কার না করলে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমন হতে পারে তাই রান্না বা সঠিকভাবে ধুয়ে খাওয়া উচিত।
- ডায়াবেটিস, কিডনি বা পেটের সমস্যা থাকলে নতুনভাবে খাদ্য তালিকায় যুক্ত করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
- কিছু মানুষের ক্ষেত্রে কান্ড বা ভিতরের অংশ এলার্জিক রিএকশন দেখা দিতে পারে তাই প্রথমবার অল্প পরিমাণে শুরু করা উচিত।
- রান্নার সময় লোক বেশি লবণ বা মসলা ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যকর সুবিধা কমে যায় এবং শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
চিকিৎসকদের মতামত
বর্তমানে পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের একাধিক সূত্রে দেখা গেছে যে কলা গাছের ভেতরের
অংশ শুধু খাবারের নয় শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সহযোগিতা করে এমন
একটি প্রাকৃতিক উপাদান। ফাইবার আইরন পটাশিয়াম ও ভিটামিন সি সহ বিভিন্ন
পুষ্টি উপাদানের কারণে এটি শরীরের জন্য বহু দিক থেকে উপকারী বলে বিবেচিত
হয়েছে।
অনেক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মনে করেন কলায় থাকা উচ্চ ফাইবার শরীরের
পেট ও ভেতরের কার্যকরতা উন্নত করে এবং বিভিন্ন সমস্যা থেকে স্বাস্থ্যকে রক্ষা
করে। তাই এটিও হজম বাজে কোন ধরনের সমস্যার জন্য অনেক উপকারী একটি খাবার।
বর্তমানে মানুষের একটা কমন অসুখ হচ্ছে ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিস চিকিৎসায় এটির কার্যকর হতে পারে এমন গবেষণা এর তথ্য রয়েছে। কলা কম শর্করা ও উচ্চ পটাশিয়াম রক্তের শর্করার স্থল নিয়ন্ত্রণের সহযোগিতা করতে পারে এমন ডায়াবেটিস রোগীদের স্বাস্থ্য সহায়তায় ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের মতামত আছে।
কিডনি ও ইউরিনারি সিস্টেম সম্পর্কেও কিছু শব্দের একটি সাধারণ মত হল কলা হজমের পাশাপাশি ডাইরেটিক প্রভাব রাখে। শরীরে অতিরিক্ত জল ও টক্সিন বের করতে সাহায্য করে এবং এমনকি ক্ষুদ্র কিডনি স্টোন বের করতে সহায়ক হতে পারে।
আরো পড়ুনঃ
কিসমিস খাওয়ার ১০টি উপকারিতা
হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা এটি পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্য হিসেবে মনোনীত করেন কারণ পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য উন্নতি করতে সাহায্য করে।
তবে চিকিৎসা করার সময় একমত যে থোড় বা কলা কান্ডের খাওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম ও পরিমিত মেনে চলা অত্যন্ত জরুরী। অতিরিক্ত খেলে বিশেষ করে যদি বেশি পরিমাণ পান করা যায় তাহলে শরীরে শর্করা হ্রাস হাইপোগ্লাইসেমিয়ার মত প্রভাব দেখা দিতে পারে। তাই ডায়াবেটিস বা অন্য কোন দীর্ঘমেয়াদি রোগ থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকদের পরামর্শ নেয়া উচিত।
চিকিৎসকদের মধ্যে কলা গাছের ভেতরে অংশ একটি শক্তিশালী প্রাকৃতিক খাদ্য ও পুষ্টিগুলির অংশ কিন্তু সঠিক প্রস্তুতি ও পরিমাণ বজায় রেখে একটি খাদ্যের তালকায় যুক্ত করায় সর্বোত্তম।
উপসংহার কলা গাছের ভেতরের অংশের ১৪টি উপকারিতা ও পুষ্টিকরণ
কলা গাছ যেটা আমাদের জন্মের আগে থেকে পৃথিবীতে আছে। কলা গাছ বিভিন্ন কাজের
ব্যবহার করা হয়। তেমনি এ কলা গাছের ভেতরের যে অংশগুলো রয়েছে তা আমাদের
স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার। যদি আমরা সঠিকভাবে এর পরিমাণ অনুযায়ী খাবারটা
গ্রহণ করতে পারে। এজন্য খাবার আগে এর সম্পর্কে ধারণা নেয়া উচিত। উপরে কলা গাছের
ভেতরের অংশের ১৪টি উপকারিতা পুষ্টিগুণ ও পরিমাণ এর সম্পর্কে বলেছি। তাই খাবার আগে
অবশ্যই আমাদের কলা গাছের বিষয়ে ভালোভাবে জানা উচিত। কারন প্রাকৃতিক
খাদ্যগুলো হচ্ছে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার। তাই আসুন প্রতিদিন খাবারের
তালিকায় একটা হল এমন খাদ্য রাখা উচিত যেগুলো পুষ্টিগুনে ভরপুর। ধন্যবাদ

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url