মস্তিষ্ক সতেজ রাখতে ৫টি সহজ উপায় এবং স্বাস্থ্য টিপস

মস্তিষ্ক সতেজ রাখতে ৫টি সহজ উপায় এবং স্বাস্থ্য টিপস। আমরা আমাদের জীবন নিয়ে এতটা ব্যস্ত হয়ে পড়েছি যে আমাদের স্বাস্থ্যের দিকে তাকাবো, সময় নাই। তাই আজকের ব্যস্ত জীবনধারায় আমাদের মস্তিষ্কে সতেজ রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

মস্তিষ্ক-সতেজ-রাখতে-৫টি-সহজ-উপায়


আর্টিকেলে আমরা জানবো মস্তিষ্ক সতেজ রাখতে পাঁচটি সহজ উপায় পাশাপাশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য টিপস যা মস্তিষ্ক তরুণ ও কার্যকর রাখতে সাহায্য করে। এ পদ্ধতি গুলো দৈনন্দিন জীবনে সহজে অন্তর্ভুক্ত করা যায় এবং দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে পারে। তবে আমাদের সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই শরীরের প্রতি যত্ন নিতে হবে। বর্তমানে যা আমাদের কাছে অনেক কঠিন।

নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম

মস্তিষ্ক সতেজ রাখতে ৫টি সহজ উপায় এর মধ্যে হচ্ছে নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম। কারণ শারীরিক ব্যায়াম মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় যা নিউরো ট্রান্সমিটার সক্রিয় রাখে এবং মনকে সতেজ রাখে। ব্যায়াম করার ফলে সেরোটোনিন এবং ডোপামিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় যা মনোযোগ স্মৃতিশক্তি এবং মানসিক স্থিতিশীলতা উন্নতি করে।

কি ধরনের ব্যায়াম উপকারী তা আমরা অনেকেই জানিনা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য। অনেকে আছে ব্যায়াম করে কিন্তু কি ব্যায়াম করলে আমাদের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মস্তিষ্কের উন্নতি হবে এটা সম্পর্কে কিবা জানে। কোন ব্যায়ামগুলো করলে মস্তিষ্কে পাশাপাশি স্বাস্থ্য ভালো থাকবে আসুন তা জানি।

  • হালকা জগিং বা হাটা
  • যোগব্যায়াম বা স্ট্রেচিং
  • সাইক্লিং বা সাঁতার

ব্যায়াম করলে পাশাপাশি তার নিয়মটা যেন প্রয়োজন বা সময়। কতটুকু ব্যায়াম করলে আমাদের স্বাস্থ্যের ভালো হবে এটাও জানা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অতিরক্ত করলে মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে। তাই প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে। সপ্তাহে ৫-৬ দিন ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পায়।

ব্যায়াম শুরু করার আগে অবশ্যই আপনাকে কিছু স্বাস্থ্য টিপস সম্পর্কে জানতে হবে। কারণ অনেক আছে ব্যায়াম করার ফলে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে এমনকি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই অবশ্যই মস্তিষ্কের সতেজ রাখতে এবং নিয়মিত শারীরিক ব্যায়ামের আগে স্বাস্থ্য টিপস গুলো ভালোভাবে জানা প্রয়োজন।

  • ব্যায়ামের আগে হালকা ওয়ার্ম -আপ করতে ভুলবেন না।
  • ব্যায়ামের সময় চোখের ব্যায়ামও করুন যেমন দূরের কোন জিনিস ফোকাস করা।
  • ব্যায়াম করার সময় মনটাকে শান্ত রাখুন
  • শরীরকে স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ ব্যায়ামের সময়।

মস্তিষ্কে সতেজ রাখতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মস্তিষ্কে সতেজ ও কার্যকর রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রতিদিনের খাবার সরাসরি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা, স্মৃতিশক্তি এবং মানসিক স্থায়ী এর ওপর প্রভাব ফেলে। সঠিক পুষ্টি গ্রহণ করলে দেহ ও মস্তিষ্কের মধ্যে সঠিক সমন্বয় বজায় থাকে। অপর্যাপ্ত বা অস্বাস্থ্যকর খাদ্য মস্তিষ্কের কাজকে ধির করে দেয় এবং ক্লান্তি মনোযোগের অভাব বা মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা প্রতিটি মানুষের জন্য জরুরী।

আরো পড়ুনঃ স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায়

আবার এখন অনেকে ভাববে মস্তিষ্কের জন্য উপকারী খাবার কোনগুলো। আমরা তো প্রতিদিনের খাবার খাই তাহলে কি শরীরে কাজ করে না। আসলে বিষয়টা সেরকম না। কারণ সব পুষ্টিকর খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে এক একটা খাবার একেকটা অঙ্গ পতঙ্গের উপকার করে শরীরের। সেরকমই আমাদের মস্তিষ্কের সুস্থ ও সতেজ রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস প্রয়োজন।

  • বাদাম-ওমেগা-৩ ফ্যাট অ্যাসিড সমৃদ্ধ ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে।
  • ডিমঃ প্রোটিন ও কোলোইন সমৃদ্ধ যা স্নায়ু সংযোগ শক্তিশালী করে।
  • সবুজ শাকসবজি-ভিটামিন ও মিনারেল সরবরাহ করে মস্তিষ্কে সতেজ রাখে।
  • মাছ-বিশেষত স্যালাইন ও সার্ডিন, ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ যা নিউরন কার্যক্রমে উন্নতি করে।

তবে আমাদের বর্তমানে স্বাস্থ্যকর খাবার অনেকে খেতে চায় না বিশেষ করে বাচ্চারা। তারা বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার খেতে বেশি পছন্দ করে। যেগুলো মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। তাই মস্তিষ্ক সতেজ রাখতে হলে অবশ্যই আমাদেরকে এ খাবারগুলো না খাওয়াই ভালো সকলের ক্ষেত্রে।

  • অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার।
  • ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার।
  • অতিরিক্ত তেল মসলাযুক্ত খাবার।

স্বাস্থ্য টিপস

  • দিনে ৫-৬ গ্লাস পানি পান করুন মস্তিষ্কেরা হাইড্রেশন ঠিক থাকে।
  • সাপ্লিমেন্ট বা ভিটামিন নেয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
  • হালকা স্ন্যাসক হিসাবে বাদাম, ফল বা গ্রিন টি রাখলে মন সতেজ থাকে।

মস্তিষ্কে সতেজ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন

পর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্কে স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের সময় মস্তিষ্কের তার নিজস্ব পূর্ণ গঠনের প্রক্রিয়া চালায় গ্রাম স্মৃতিশক্তি উন্নতি করে এবং মনোযোগকে বাড়ায়। যদি ঠিক মতন ঘুম না হয় তাহলে মানসিক চাপ বৃদ্ধি করে মনোযোগ কমায় এবং দিনের কাজের প্রতি মনোযোগের ক্ষমতা কমে যায়। ঘুম যদি ঠিকভাবে না হয় তাহলে একটা মানুষ নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য অনেক কঠিন হয়ে যায়। তাই সঠিক সময়ে ঘুমানো এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা প্রতিদিনের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের প্রতিদিনের একটি ঘুমের সময়সূচী দরকার। কারণ অনিয়মিতভাবে ঘুমাতে গেলে ঘুম সঠিকভাবে হয় না এমনকি ঘুমের ঘাটতি থাকে। তাই সকলে নিজের মতন করে একটা ঘুমের সময়সূচী তৈরি করে নেওয়া উচিত।

  • প্রতিদিন ৭-৮ ঘন্টায় ঘুমের চেষ্টা করতে হবে।
  • প্রতিদিন একই সময় ঘুমাতে যাওয়া এবং জায়গার অভ্যাসে মস্তিষ্কে নিয়ন্ত্রণ রাখে।
  • রাতে গভীর ঘুম পাওয়ার জন্য দিনভর ক্যাফেইন বা ভারি খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • রাতে অতিরিক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো।

স্বাস্থ্য টিপস

  • ঘুমের আগে ফোন বা কম্পিউটার কমানোর উচিত।
  • ঘরটি শান্ত অন্ধকার এবং হালকা ঠান্ডা রাখতে হবে।
  • হালকা ধ্যান বা স্বাস প্রশ্বাসের অনুশীলন ঘুমের আগে মস্তিষ্কে প্রশান্তি করে।
  • নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস মস্তিষ্কে তরুণ এবং সতেজ রাখে।
  • মস্তিষ্কের কার্যকরতা ও মনোযোগ ক্ষমতা উন্নত করে নিয়মিত ঘুমে।

মানসিক চ্যালেঞ্জ ও ব্রেইন এক্সারসাইজ

মস্তিষ্ক সতেজ রাখতে ৫টি সহজ উপায় আরেকটি উপায় হচ্ছে মানসিক চ্যালেঞ্জ ও ব্রেইন এক্সারসাইজ। মানসিক সতেজ থাকার  জন্য নিয়মিত মানসিক চ্যালেঞ্জ ও ব্রেইন এক্সারসাইজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু শারীরিক ব্যায়াম যথেষ্ট নয় মস্তিষ্কের নতুন কিছু শেখা এবং চিন্তাশীল কার্যক্রমে নিয়মিত যুক্ত রাখা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্রেন এক্সারসাইজ নিউরন সংযোগ কে শক্তিশালী করে স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং মানসিক স্থিতিশীলতা উন্নতি করে।

  • এখন ভাবছেন কি ধরনের কার্যক্রম মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। চলুন সেগুলো জানি।
  • ধাঁধা বা পাজল সমাধানঃ Sudoku,crossword বা Logic Games
  • বুদ্ধির খেলার খেলাঃ দাবা, চেস বোর্ড গেম বা রুবিক্স কিউব
  • নতুন ভাষা শিখাঃ মস্তিষ্কের ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার সক্রিয় রাখা।
  • সৃজনশীল কাজঃ চিত্রাঙ্গন, সংগীত, লেখালেখি বা নতুন হবি শুরু করা।

কেন কার্যকর

  • নতুন কিছু শেখার সময় মস্তিষ্কে নিউরন সংযোগ বৃদ্ধি পায়।
  • মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমে।
  • বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্মৃতি শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।

মস্তিষ্ক সতেজ রাখতে স্বাস্থ্য টিপস জানা জরুরী। কারণ মন চাইলে সবকিছু করা যাবে না। অনেক সময় দেখা গেল এমন একটা কাজ করলাম যেটা আমাদের স্বাস্থ্যের বা মস্তিষ্কের জন্য ঠিক না। তাই মস্তিষ্কে সতেজ রাখতে স্বাস্থ্য টিপসগুলো প্রয়োজন।

  • প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিট এক্সারসাইজ করা ব্রেনের।
  • চ্যালেঞ্জিং কাজের সময় ছোট বিরতি নিন।
  • ধৈর্য ধরে নিয়মত অভ্যাস করলে ফলাফল দ্রুত পাওয়া যায়।
  • বিভিন্ন ধরনের মস্তিষ্কের উদ্দপীক কার্যক্রম মিলিয়ে নিন যাতে বিরক্ত না আসে।

মানসিক চাপ কমানো ও ধ্যান

বর্তমানে মানুষের সবচেয়ে বিরাট সমস্যা হচ্ছে মানসিক চাপ। যেটা মানুষের জীবনে এমন ভাবে জড়িয়ে গেছে যার কারণে মানুষ সুস্থ থাকতে পারছে না। আজকের ব্যস্ত জীবনধরে মানসিক চাপ কমানোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত চাপ মস্তিষ্কের কার্যক্রমতা কমিয়ে দেয় এবংকর্টিসল হরমোন এর মাত্রা বৃদ্ধি করে যার স্মৃতি শক্তি মনোযোগের জন্য ক্ষতিকর। নিয়মিত ধ্যান এবং মানসিক বিশ্রাম মস্তিষ্কে শান্ত সতেজ ও কার্যকর রাখে।

আরো পড়ুনঃ দাঁতের ক্ষয় রোধ করার ঘরোয়া উপায়

কিভাবে চাপ কমানো

  • মেডিটেশনঃ প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিট ধ্যান করুন। এটি মনকে প্রশান্তি করে এবং স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।
  • গভীর শ্বাস প্রশ্বাসঃ ধীরে ধীরে শ্বাস নিন এবং ছাড়ুন। এটি স্নায়ু ব্যবস্থা শান্ত রাখে।
  • নেচার ওয়াক বা প্রাকৃতিক মাঝে হাটাঃ প্রাকৃতিক পরিবেশের সময় কাটানো মানসিক চাপ কমায় এবং মনকে সতেজ রাখে।

স্বাস্থ্য টিপস

  • স্ট্রেস কমাতে প্রিয় সংগীত সোনা।
  •  ডাইরি লিখে অনুভূতি প্রকাশ করা।
  • দিনের মধ্যে ছোট বিরোধী নিন একটানা কাজের চাপ কমাতে।
  • পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখুন সামাজিক সমর্থন মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক হয়। 
  • মস্তিষ্ক শান্ত থাকে এবং মনোযোগ বাড়াতে হবে।
  • মানসিক চাপ হলে ঘুমের মান বৃদ্ধি পাবে।
  • দীর্ঘমেয়াদি স্মৃতিশক্তি উন্নত হয় এবং মস্তিষ্কে সতেজ থাকে।

FAQ: প্রায় প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ কি কারনে মস্তিষ্কে সতেজ রাখতে প্রতিদিন হাটা বা ব্যায়ামের জরুরী?

উত্তরঃ হাটা বা হালকা ব্যায়াম রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং মস্তিষ্কে অক্সিজেন পৌঁছায়। ফলে মন সতেজ থাকে এবং মনোযোগ শক্তিশালী হয়।

প্রশ্নঃ ঘুমের আদর্শ সময় কত?

উত্তরঃ রাতে ৭-৮ ঘন্টা ঘুম নেয়া উচিত। একই সময়ে ঘুমানো মস্তিষ্কে নিয়মিত কার্যকারিতা নিশ্চিত করে।

প্রশ্নঃ সামাজিক সম্পর্ক মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য কেন জরুরী?

উত্তরঃ বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সংযোগ মানসিক সমর্থ্য দেয়। ফলে মানসিক চাপ কমায় এবং মস্তিষ্ক সতেজ রাখতে সহায়তা করে।

উপসংহার মস্তিষ্ক সতেজ রাখতে ৫টি সহজ উপায় এবং স্বাস্থ্য টিপস

মস্তিষ্ক সতেজ রাখা এবং সবকিছু সঠিকভাবে করা প্রত্যেকটা মানুষের চাই। কারণ সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই আমাদেরকে সবকিছু নিয়মমাফিক করা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে দিনদিন মানুষের অবস্থা অনেক অবনতি হচ্ছে। যার কারণ হচ্ছে মানুষ সবকিছু সঠিকভাবে করতে পারে না। খাবারদাবার থেকে শুরু করে সবকিছু অনিমিতভাবে জীবন চলছে। তাই আমরা সবকিছু থেকে দিন দিন বঞ্চিত হচ্ছে। মস্তিষ্ক সতেজ রাখতে ৫টি সহজ উপায় এবং স্বাস্থ্য টিপস গুলো উপরে আলোচনা করেছি। আপনি যদি সে নিয়মগুলো সঠিকভাবে পালন করতে পারেন এবং মেনে চলেন তাহলে স্বাস্থ্যের পাশাপাশি আপনার মস্তিষ্ক ও ভালো থাকবে।আপনি কি পাঁচটি উপায়ে আজই শুরু করতে পারেন তাহলে আপনার প্রিয় ব্রেন এক্সারসাইজ এর জন্য সুবিধা হব এবং এরকম নতুন নতুন তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪