লালশাকের উপকারিতা ও অপকারিতা

লালশাকের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানব। লালশাক আমাদের দেশে একটি অত্যন্ত পরিচিতি ও সহজলভ্য শাকসবজি। গ্রাম হোক বা শহর প্রায় প্রত্যেকটি বাড়িতে কম বেশি লাল শাক রান্না হয়। স্বল্প মূল্যে পাওয়া যায় বলে এটি সাধারণ মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয়।

লালশাকের-উপকারিতা-ও-অপকারিতা
শুধু গামে কম বলে নয় লাল থাকে রয়েছে অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা। তবে সব খাবারের মতো লালশাকের কিছু অপকারিতা রয়েছে। যা আমাদের জানা উচিত যদি জানা না থাকে তাহলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। এ আর্টিকেলে বিস্তারিত ভাবে জানবো লাল শাকের উপকারিতা ও অপকারিতা, পুষ্টিগুণ, কারা খেতে পারবে আর কারা খাবে না এমন খাওয়ার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে।

পেজ সূচিপত্রঃ লালশাকের উপকারিতা ও অপকারিতা

লাল শাকের উপকারিতা

লাল শাক আমরা সকলেই চিনি। আবার প্রায় বাড়িতে লালশাক রান্না হয়। কিন্তু লাল শাক খেলে যা আমাদের স্বাস্থ্যের কত উপকারিতা হয় তা আমরা অনেকে জানিনা। বাজারে লালশাক সহজেই পাওয়া যায়। বিশেষ করে শীতকালে এর চাষ বেশি হয়। লাল শাক খেলে আমাদের স্বাস্থ্যের কি কি উপকার হয় তা আমরা এখন নিজের বিস্তারিত জেনে নিব।

  • রক্তশূন্যতা দূর করেঃ লালশাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। যা রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে। যাদের শরীরের রক্তস্বল্পতা বা দুর্বলতা রয়েছে তাদের জন্য লাল শাক খুবই উপকারী। বিশেষ করে এ তিন শ্রেণীর মানুষের জন্য লালসা অত্যন্ত কার্যকর যেমন নারী, কিশোরী এবং গর্ভবতী।
  • হজমে শক্তি বাড়ায়ঃ লালশাকে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। যারা নিয়মিত লাল শাক খায় তাদের সাথে এসব উপকারিতা গুলো দেখা যাবে। যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়, পেট পরিষ্কার থাকে এবং গ্যাসের সমস্যা কমে। যাদের হজমে দুর্বল তারা নিয়মিত লাল শাক খেতে পারেন।
  • চোখের জন্য উপকারীঃ লালশাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ। যার চোখের দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। যেমন রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে, চোখ শুষ্ক হওয়া কমায় এবং চোখে স্বাস্থ্য রক্ষা করে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য এটি অনেক উপকারী।
  • হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়ঃ লালশাক হৃদযন্ত্রের খুবই ভালো। যাদের শরীরের কোলেস্টেরল বেশি আছে তারা যদি নিয়মিত লাল শাক খায় তাহলে কলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। যাদের রক্তচাপ বেশি তাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। তাই নিয়মিত লাল শাক খেলে হৃদযন্ত্র ভালো থাকে।
  • রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়ঃ লালশাকে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যেমন সর্দি কাশি, ভাইরাস সংক্রান্ত ঝুঁকি কম এবং শরীর শক্তিশালী থাকে। লাল শাক নিয়মিত খেলে বিভিন্ন রোগ বালাই থেকে স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
  • ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য লালজাক একটি আদর্শ খাবার। লালশাকে রয়েছে ক্যালোরি কম, ফাইবার বেশি এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরে রাখে। ডায়েট চ্যাটের লাল শাক রাখলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।
  • গর্ভবতী নারীদের জন্য উপকারঃ গর্ভবতী নারীদের জন্য লালশাক অত্যন্ত উপকারী সবজি। লাল শাকের যে পুষ্টিগুলো রয়েছে যেমন আয়রনের ঘাটতি পূরণ, শিশু স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে এবং মায়ের দুর্বলতা কমায়। তবে অবশ্যই পরিমিত পরিমাণ এবং ভালোভাবে রান্না করে খেতে হবে।
  • শিশুদের পুষ্টি যোগায়ঃ সঠিক পরিমাণে দিলে লাল শাক শিশুদের হার শক্ত করে, রক্ত বাড়ায় এমন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাই শিশুদের পরিমাণ মতো নিয়ম করে লাল শাক খাওয়ালে শিশুদের শরীরের পুষ্টি জোগায়।

লালশাক কি

লাল শাক এক ধরনের পাতা জাতীয় শাকসবজি। যা মূলত Amaranthus জাতের উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায়। এর পাতা ও ডাটা দুটোই খাওয়া যায়। লাল রংয়ের কারণে একে লাল শাক বলা হয়। বাংলাদেশের ভারত সহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এটি ব্যাপকভাবে চাষ হয়। আবার লাল শাক মূলত গরম ও আদ্র আবহাওয়ার ফসল। এটি খুব দ্রুত বেড়ে উঠে এবং অল্প সময়ে খাবার উপযোগী হয়। অনেক দেশে চাষ হয় বিশেষ করে যেখানে আবহাওয়া উষ্ণ ও মাটির আদ্রতা ভালো থাকে।

আরো পড়ুনঃ শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায়

যেমন এশিয়া, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন চীন, আফ্রিকা, আমেরিকা এবং ইউরোপ।বাংলাদেশের লালচাঁদ সাধারণত সারা বছরে চাষ করা হয় তবে সবচেয়ে ভালো ফলন পাওয়া যায়। বর্ষা ও গ্রীষ্মকালে লাল শাকের জন্য সবচেয়ে উপযোগী সময়। শীতকালে চাষ করা গেল বৃদ্ধি তুলনামূলক ধীর হয়। বীজ বপনের ২০-২৫ দিনের মধ্যে লালশাক কাটা উপযোগী হয়। একই জমিতে ২-৩ বার লাল শাক সংগ্রহ করা যায়।

  • ফাল্গুন-চৈত্র (ফেব্রুয়ারি- মার্চ)
  • বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ (এপ্রিল-মে)
  • আষাঢ়- শ্রাবণ(জুন-জুলাই)

লাল শাকের পুষ্টিগুণ

লাল শাক একটি পুষ্টি গুনে ভরপুর সবজি। লাল শাকে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান। যা মানব দেহের জন্য অনেকটা কার্যকর। তবে এই সবজি যদি নিয়মিত খাওয়া যায় বা তার পরিমাণ যদি সঠিক থাকে তাহলে স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত কার্যকর একটি সবজি। লাল থাকে যে পুষ্টিগুণগুলো রয়েছে তা আমরা অনেকেই জানিনা। যেমন প্রতি১০০ গ্রাম লালশাকে ক্যালরি খুব কম। কিন্তু পুষ্টি অনেক বেশি। তাই এটি স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের জন্য দারুন একটি খাবার।আসুন তাহলে জেনে নেই লাল শাকের পুষ্টিগুণগুলো সম্পর্কে।

  • ভিটামিন এ
  • ভিটামিন সি
  • ভিটামিন কে
  • আয়রন
  • ক্যালসিয়াম
  • ম্যাগনেসিয়াম
  • পটাশিয়াম
  • খাদ্য আঁশ
  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

লাল শাকের অপকারিতা

লাল শাক সাধারণত খুব উপকারী হল কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে এর অপকারিতা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত কোন কিছু ভালো না খাবারের বা কাজের দিক দিয়ে হোক। অতিরিক্ত মানুষের জীবনে কোন কিছু ভালো হয় না। তেমনি অতিরিক্ত খাবার খেলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ। তাই আমাদের খাবার খেতে হবে পরিমাণ মতো এবং সঠিক নিয়মে। অতিরিক্ত লাল শাক খেলে স্বাস্থ্যের কি কি অপকারিতা হয় চলুন তা নিচে জানি।

  • কিডনি রোগীঃ লাল শাকের প্রচুর পটাশিয়াম থাকে যা কিডনি রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই যাদের কিডনির সমস্যা আছে তারা অতিরিক্ত লাল শাক খাবেন না খেলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাবেন।
  • অক্সলেট সমস্যাঃ যদিও লাল থাকে ওয়াক্সলেট পালন শাকে তুলনায় কম তবুও অতিরিক্ত খেলে কিডনির পাথর বা গাইডের সমস্যা থাকলে তা বৃদ্ধি হতে পারে।
  • গ্যাস ও বদহজমঃ উচ্চ ফাইবার যুক্ত হওয়ার কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অতিরক্ত লাল শাক খেলে গ্যাস পেট ফাঁপা বা বদহজম হতে পারে।
  • আয়রনের শোষণঃ এতে থাকা ফাইটেট নামক উপাদান আয়রন শোষণে কিছুটা বাধা দিতে পারে যদিও লাল শাক আয়রনের ভালো উৎস।
  • এলার্জি সম্ভাবনাঃ কিছু মানুষের ক্ষেত্রে লাল শাক খেলে বমি, চুলকানি, পেটব্যথা হতে পারে।

খাওয়ার সঠিক নিয়ম লালশাক

লাল শাক খুবই পুষ্টিকর তবে উপকার পেতে হলে সঠিকভাবে নির্বাচন, রান্না ও পরিমিতি পরিমাণে খাওয়া জরুরী। লাল শাকের পাতায় মাটি, কেটে নাশক ও জীবাণু থাকতে পারে। তাই প্রথমে আপনাকে শাক বাছাই করতে হবে। পরিষ্কার পানিতে ৩-৪ ভার ভালোভাবে ধুয়ে নিন।৫-১০ মিনিট লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখলে জীবাণু কমে। পরিষ্কার না করলে পেটের সমস্যা হতে পারে।

  • লালশাক কাঁচা খাওয়ার চেয়ে রান্না করে খাওয়া নিরাপদ। কারণ কাঁচা লালশাকে অক্সলেট ও জীবাণু থাকতে পারে। রান্না করলে ক্ষতিকর উপাদান অনেকটাই কমে যায়। হালকা সেদ্ধ বা ভাজি করে খাওয়া সবচেয়ে ভালো।
  • লাল শাক রান্না করার সময় অতিরক্ত তেল মসলা ব্যবহার না করাই উচিত। অতিরিক্ত মসলা ব্যবহার করলে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় এবং গ্যাস্টিকের সমস্যা হতে পারে। অল্প তেল, রসুন ও সামান্য লবণ দিয়ে রান্না করায় স্বাস্থ্যকর।
  • লালশাক খুব উপকারী হল অতিরক্ত খাওয়া ঠিক নয়। প্রাপ্তবয়স্কদের সপ্তাহে ২-৩ তিন দিন একবেলা করে খেতে হবে। আর শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণে সপ্তাহে ১-২ দিন। তবে বেশি খেলে গ্যাস ডায়রিয়া বা পেট ফাঁপার সমস্যা হতে পারে।
  • দুপুরে লাল শাক খাওয়া সবচেয়ে ভালো। রাতে খেলে অল্প পরিমাণ ও হালকা রান্না করে খেতে হবে। তবে রাতে বেশি খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে তাই পরিমাণ মতন খেতে হবে।

কাদের খাওয়া উচিত নয় লালশাক

লাল শাক একটি পুষ্টিকর সবজি। যা খেলে মানবদেহে সুস্থ থাকে। কিন্তু এমন কিছু লক্ষণ আছে মানুষের শরীরে যেগুলো থাকলে লালশাক খাওয়া একেবারে উচিত নয়। যাদের শরীরে এসব সমস্যাগুলো আছে তাদের লালশাক খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যদিও লাল শাক পুষ্টিকর খাবার তবুও যাদের দেহে সমস্যা আছে তাদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত। চলুন তাহলে কি কি সমস্যা থাকার কারণে যারা লাল শাক খাওয়া থেকে বিরত থাকবে তা জানি।

আরো পড়ুনঃ ট্রেস কমানোর উপায়

  • রক্ত পাতলা করার ওষুধ যারা খান তারা লালশাক খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। যারা নিয়মিত ওয়ার ফারিন, অ্যাসপিরিন দীর্ঘদিন ধরে এজাতীয় ওষুধ খান, তাদের জন্য লাল শাক সমস্যা তৈরি করতে পারে। কারণ লাল শাকের ভিটামিন কে থাকে যা রক্তে জমাট বাধার প্রক্রিয়া প্রভাব ফেলে। এতে ওষুধের কার্যকরতা কমে যেতে পারে।
  • যাদের থাইরয়েডের সমস্যা আছে বিশেষ করে হাইপোথাইরইয়েড আছে। লালশাক থাকা কিছু প্রাকৃতিক যৌগ থাইরয়েডের হরমোনের ভারসাম্য বাধা দিতে পারে। যদি নিয়মিত ও বেশি পরিমাণে খাওয়া যায়।
  • যাদের ইউরিক এসিড বা গেটে বাত বেশি তারা লালশাক খাওয়া থেকে বিরত থাকবে। লালশাক থাকা কিছু উপাদান ইউরিক এসিড বাড়াতে পারে, জয়েন্টে ব্যথা বাড়াতে পারে। যাদের গেটে বাতের সমস্যা আছে তারা নিয়মিত লাল শাক না খাওয়াই ভালো।
  • যারা লিভারের জটিল রোগে ভুগছেন তারা লাল শাক না খাওয়াই ভালো। যেমন লিভার সিরোসিস , ফ্যাট লিভার। লিভারে ঠিকমতন কাজ না করলে লাল শাকের কিছু উপাদান হজমের সমস্যা করে এবং লিভারের ওপর চাপ ফেলতে পারে।
  • লালসাকে থাকা অক্সলেট ক্যালসিয়াম শোষণে বাধা দেয়। যাদের আগে থেকে হার দুর্বল বা ক্যালসিয়ামডেফিসিয়েন্সি আছে তারা অতিরক্ত লাল শাক এড়িয়ে চলুন।
  • যারা দীর্ঘদিন অ্যান্টিবায়োটিক খেলে হজম শক্তি দুর্বল হয়। এ অবস্থায় লাল শাক খেলে পেটে সমস্যা বাড়তে পারে। তাই এসব মানুষদের লাল শাক খাওয়ার সময় অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অথবা লাল শাক না খাওয়াই উত্তম।

FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ লাল শাক কত দিনে খাওয়ার উপযোগী হয়?

উত্তরঃ লাল শাক সাধারণত বীজ বপণের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে খাওয়ার উপযোগী হয়। সঠিক পরিচর্যা থাকলে একই জমিতে থেকে ২-৩ বার শাক সংগ্রহ করা যায়।

প্রশ্নঃ১০০ গ্রাম লালশাকে কত ক্যালোরি থাকে?

উত্তরঃ ১০০ গ্রাম লালশাকে আনুমানিক ২৩-২৫ ক্যালরি থাকে। এটি কম ক্যালরিযুক্ত কিন্তু পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি শাকসবজি।

প্রশ্নঃ লাল শাক খেলে কি উপকার হয়?

উত্তরঃ হ্যাঁ, লাল শাক খেলে রক্তশূন্যতা কমে, হজম শক্তি বাড়ে এবং প্রতিরোধের ক্ষমতা উন্নতি হয়। এতে থাকা আইরন, ভিটামিন ও ফাইবার শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে

লেখকের মন্তব্য লালশাকের উপকারিতা ও অপকারিতা

লাল শাক একটু অত্যন্ত পুষ্টিকর ও উপকারী শাকসবজি। উপরে লাল শাকের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করেছি। লাল সাথে যে পুষ্টিগুণগুলো রয়েছে তা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার। তাই আমরা যদি সঠিক নিয়মে এবং পরিমাণ মতন খাই তাহলে এই পুষ্টি উপাদানগুলো আমাদের দেহের জন্য অনেক কার্যকর। কারণ দেহকে সুস্থ রাখতে হলে অবশ্যই আমাদের পুষ্টিকর খাবার গুলো খেতে হবে যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। তাই আসল খাদ্যের তালাকায় প্রতিদিন পুষ্টিকর জাতীয় খাবার গুলো রাখি।

উপরে লালশাকের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। লাল শাক সঠিক পদ্ধতিতে খেলে বা যেগুলো নিষেধ সেগুলো মানলে অবশ্যই আমাদের জন্য অনেক উপকার হবে। এর আর্টিকেল পড়ে আপনার যদি উপকার হয় অবশ্যই আপনার মতামতি জানাবেন ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪