রমজান মাসে রোজা রাখা ফজিলত ও গুরুত্ব
রমজান মাস প্রত্যেকটা মুমিন মুসলমানের জন্য বরকতের মাস। রমজান মাস শুরু হবে। রমজান মাসের ইবাদত ও রোজা রাখা সবচেয়ে বরকতময়।রমজানে রোজা রাখা প্রত্যেকটা মুসলমানের জন্য ফরজ।রমজান রোজা রাখলে এর পুরস্কার আল্লাহতায়ালা নিজে দিবে।
রমজান মাস হচ্ছে মাগফিরাত রহমত ও নাজাতের মাস। এই মাসে রোজা রাখার পাশাপাশি অতীতের গুনার জন্য ক্ষমা পাওয়ার সুযোগ হয়। তাই রমজান মাসে রোজা রাখার পাশাপাশি কোরআন ও নফল ইবাদত গুলো বেশি বেশি করা প্রয়োজন। নিজের রমজান মাসে রোজা রাখার ফজিলত গুরুত্ব গুলো জানব।অতীতের গুনাহ মাফ হবে রোজাদার ব্যক্তির
আমরা সকলে প্রায় কম বেশি গুনাহ করে থাকি। কেউ জেনেগুনা করি কেউ না জেনে গুনাহ
করি। কিন্তু অন্যান্য মাসে এ গুনাহ মাফের সুযোগ রয়েছে তবে রমজান মাসে অতীতের
গুনাহ মাফের সুযোগ বেশি দিয়েছেন আল্লাহ তা'আলা। রমজান মাস হচ্ছে মাগফিরাতের মাস।
এ রমজান মাসে যখন মমিন বা মুসলমান ব্যক্তি রোজা রাখে নামাজ পড়ে আল্লাহ তা'আলা তা
পছন্দ করে। যার ফলে রমজান মাসে অতীতের গুনাহ মাফের একটা বড় সুযোগ। কারণ রোজাদার
ব্যক্তি রোজা রেখে অন্যায় কাজ করতে পারে না। এ রমজান মাসের রোজার উসিলায়
বা সুযোগে বান্দা তার অতীতের কোনা ক্ষমা পাওয়ার একটি সুযোগ পাবে।
রোজাদার ব্যক্তি জান্নাতের বিশেষ দরজা লাভ করবে
রোজাদার ব্যক্তি জান্নাতের বিশেষ দরজা লাভ করতে পারবে রোজা রাখার ফলে। হাদিসে
বর্ণিত আছে যে জান্নাতে রাইয়ান নামে একটা বিশেষ দরজা থাকবে যা শুধু রোজাদারের
জন্য নির্ধারিত। এ দরজা দিয়ে কেবল তারা প্রবেশ করতে পারবে যারা দুনিয়াতে
আন্তরিকতার হাতে আল্লাহ সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে রোজা পালন করেছে। মহানবী (সাঃ) এ
কথায় বিভিন্ন হাদিসে উল্লেখ করেছে যার বর্ণনা পাওয়া যায় সহীহ বুখারী গ্রন্থে।
রায়ান শব্দের অর্থ তৃপ্তি বা পরিপূর্ণ সজীবতা যা ইঙ্গিত করে যে দুনিয়ায় যারা
আল্লাহর জন্য খুদা ও তৃষ্ণা সহ্য করেছে আখেরাতে তারা চির শান্তি ও তৃপ্তি
লাভ করবে। এ বিশেষ দরজা রোজার মর্যাদা ও ফজিলতকে আরো উঁচুতে তুলে ধরে এবং
মুমিনদেরকে নিষ্ঠার সাথে রোজা পালনে উৎসাহিত করে।
জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে রোজাদার
রমজান মাস রহমত মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। হাদিসে বর্ণিত আছে যে এই মাসে আল্লাহতালা
ও অসংখ্যা বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন। যারা ঈমান ও একান্ত
খাঁটি মনে বা আন্তরিকতার সাথে রোজা পালন করে গুনাহ থেকে বিরত থাকে এবং তওবা করে
তাদের জন্য বিশেষ ক্ষমা ও মুক্তির সুসংবাদ। মহানবী (সাঃ) এ বাণীতে এ কথা উল্লেখ
আছে যার বর্ণনা পাওয়া যায় জামি আত-তিরমিজি গ্রন্থে। রমজানের প্রতি রাতেই আল্লাহ
কিছু বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন। তাই রোজা শুধু ক্ষুধা পিপাসা সহ্য
করার নাম নয় বরং এটি জাহান্নাম থেকে পরিতান লাভের একটি মহৎ সুযোগ। আন্তরিক ইবাদত
বেশি বেশি দোয়া ও তওবা এর মাধ্যমে একজন রোজাদার আল্লাহর ক্ষমা ও নাজাত অর্জন
করতে পারে।
আরো পড়ুনঃ
আল্লাহর রহমত পাওয়ার উপায়
রোজাদার ব্যক্তি অসংখ্যা সওয়াব লাভ করবে
রমজান মাসে রোজা পালনকারী ব্যক্তি অসংখ্যা সওয়াব লাভ করে থাকেন। হাদিসে এসেছে আল্লাহ তাআলা বলেন রোজা আমার জন্য আর আমি নিজেই এর প্রতিদান দিব। অর্থাৎ রোজার সওয়াবের পরিমাণ নির্ধারিত নয় এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষভাবে প্রদান করা হয়। অন্যান্য নেক আমলের সওয়াব নির্দিষ্ট গুণে বৃদ্ধি পায় কিন্তু রোজার প্রতিদান সীমাহীন।মহানবী (সাঃ) এর বাণীতে এই কথা বর্ণিত হয়েছে যার উল্লেখ্য পাওয়া যায় সহীহ মুসলিম গ্রন্থে। তাই একজন রোজাদার যখন আন্তরিকতার সাথে আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য না খেয়ে থাকে ও পিপাসা সহ্য করে তখন তার প্রত্যেকটি মুহূর্ত ইবাদতে পরিণত হয় এবং সে অগণিত সওয়াবের অধিকারী হয়।
আল্লাহর নৈকট্য লাভের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম রোজা
রোজা আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণ রোজা এমন একটি ইবাদত যা একান্ত ভাবে আল্লাহর জন্য পালন করা হয় এবং এর প্রতিদান তিনি নিজের প্রদান করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন। যখন একজন মুমিন মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সারাদিন ক্ষুধা তৃষ্ণা ও নফসের চাহিদা সংযম করে তখন তার অন্তরের তাকওয়া বৃদ্ধি পায় এবং আল্লাহ সাথে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। রোজা মানুষকে গুনাহ থেকে দূরে রাখে হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করে এবং দোয়া ও ইবাদতের মাধ্যমে রবের কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ পায়।মহানবী (সাঃ) এর বাণীতে এই বিষয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে যার বর্ণনা পাওয়া যায় সহীহ বুখারী গ্রন্থে। তাই বলা যায় রোজা শুধু একটি ফরজ ইবাদত নয় বরং এটা আল্লাহর ভালোবাসা ও নৈকট্য অর্জনের এক অনন্য পথ।
রোজাদার পরকালে শহীদের গুণে দলভুক্ত থাকবে
রোজাদারের মর্যাদায় ইসলামের অত্যন্ত উচ্চ। বিভিন্ন হাদিসে বর্ণিত এসেছে যে
ব্যক্তি ঈমান ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিয়মিত রোজা পালন করে আল্লাহ তার
মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং তাকে বিশেষ সম্মান দান করেন। কিছু বর্ণনায় উল্লেখ্য আছে
রোজাদারের জন্য এমন সওয়াব ও সম্মান রয়েছে যা শহীদের মর্যাদার সাথে তুলনীয়। তবে
সহিদ ও রোজাদারদের মর্যাদা পৃথক বিধান অনুযায়ী নির্ধারিত। আল্লাহর কাছে সম্মানিত
উভয়ই। কিন্তু তাদের অবস্থান ও ফজিলত আলাদা আলাদা আমলের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।
এ ধরনের ফজিলতের আলোচনা পাওয়া যায় বিভিন্ন হাদিস গ্রন্থে যেমন সুনান ইবনে
মাজাহ। সুতরাং বলা যায় আন্তরিক এর সাথে রোজা মানুষের মর্যাদা এতটাই বৃদ্ধি করে
যে সে আল্লাহর কাছে বিশেষ সম্মান লাভ করে এবং পরকালে উচ্চ স্থান অর্জন করতে
পারে।
রোজাদার ব্যক্তি তাকওয়া অর্জন করবে রোজার মাধ্যমে
রোজা মুসলমানের জন্য শুধু খাদ্য ও পানি থেকে বিরত থাকা নাম নয়। এটি তাকওয়া
অর্জনের অন্যতম মাধ্যম। কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন (সূরা বাকারা ১৮৩) হে
ঈমানদারগণ তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।
অর্থাৎ রোজা মানুষকে নেক ও আল্লাহ ভীতিপূর্ণ আচরণে উদ্ভুদ্ধ করে। যখন একজন
রোজাদার খুদা তৃষ্ণা ও নফসের প্রলোভনে সামলে আল্লাহ সন্তুষ্টের জন্য নিজেকে
নিয়ন্ত্রণ করে তখন তার মন ও আত্মা পরী শুদ্ধ হয়। এর আত্মসংযম ও
নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই রোজাদার ব্যক্তি আল্লাহর নৈকট্য ও তারপর অর্জন করে যা তার
দৈনন্দিন জীবনে ও পরকালের সুফল বয়ে আনে।
রোজাদার ব্যক্তি সরাসরি প্রতিদান পাবে
রমজান মাসে রোজা রাখার একটি বড় ফজিলত হলো রোজাদার তার নেক কাজে সরাসরি ফল ভোগ করে। রোজার শুধু খুদা ও তৃষ্ণা সহ্য করার নাম নয় এটি আত্ম সংযম এর পরীক্ষা। যখন মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্ট জন্য নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে তখন তার পরিশ্রমের প্রতিদান আল্লাহর কাছ থেকে আসে। এ প্রতিদান শুধু আখেরাতে নয় জীবনের মানসিক শান্তি এবং ধৈর্যের মধ্যেও দেখা যায়। রোজাদার ব্যক্তি ধৈর্য্যতা ও আত্মীয়-শুদ্ধি অর্জন করে। তার প্রতিটি সংকল্প ও নিয়ন্ত্রণ আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়। এ কারণে রোজা রাখার অভিজ্ঞতা এক প্রকাশ সরাসরি পুরস্কার। তাই রোজাদার ব্যক্তি যে সিমিত সময়ের জন্য নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে তার সাফল্য ও সওয়াব পুরস্কার আল্লাহর পক্ষ থেকে ন্যায় সঙ্গতভাবে প্রদান করা হয়।
রোজা গুনাহের কাফফারা
রমজান মাসে রোজা রাখা শুরু ইবাদত নয় এটি আর মানুষের আত্মাকে পবিত্র করে ও গুনাহ
থেকে মানুষকে দূরে রাখে। কখনো কেউ রোজা রেখে কোন কারনে সেটা ভঙ্গ করলে যেমন ভেজাল
খাওয়া স্বেচ্ছাচারিতা বা অন্য কোন অর্থনৈতিক কাজ তখন আল্লাহ সন্তুষ্ট
অর্জনের জন্য কাফফারা প্রদান করা হয়। কাফফারা মূলত গুনাহ মাফ করার ব্যবস্থা।
ইসলামের বিধান অনুযায়ী যদি কোন রোজা অভিপ্রায়বিহীন ভাবে ভেঙ্গে যায় তাহলে
কাফফারা হিসেবে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কাজ করতে হয়। সাধারণভাবে কাফফারা হলো দুই
মাস ক্রমাগত রোজা রাখা বা অভাবে ব্যক্তিদের খাদ্য দান করা। এটি শুধু মাত্র ভঙ্গ
হওয়া রোজার জন্য প্রযোজ্য। কাফফারা উদ্দেশ্য হলো ব্যাগ থেকে তার ভুলের জন্য
সতর্ক করা এবং আল্লাহর নৈকট অর্জনের সুযোগ দেওয়া। কাফফারা পালন করলে ব্যক্তি তার
ইবাদতের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে এবং গুনা থেকে মুক্তি পাই। রোজা ভেঙে গেলে
আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। কাপ খেলার মাধ্যমে আমরা আবারও আল্লাহ সন্তুষ্ট অর্জনের
সুযোগ পায়।
রোজাদার ব্যক্তির মুখের গন্ধ মিশকের চেয়েও সুগন্ধিযুক্ত
রমজান মাসে রোজা রাখার অন্যতম ফজিলত হলো রোজাদারের মুখের গন্ধ।মহানবী (সাঃ) বলেছেন রোজা রাখার সময় রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকটে এমন সুগন্ধী হিসেবে গৃহীত হয় যা পৃথিবীর কোন মিশক বা মাধুর্যের তুলনায় অনেক বেশি মূল্যবান। অর্থাৎ রোজা শুধুমাত্র ক্ষুধা ও তৃষ্ণা সহ্য করার নাম নয় বরং এটি আল্লাহর কাছে প্রিয় ইবাদতের একটি মাধ্যম। রোজাদারের যতই ধৈর্য ও আত্ম সংযম প্রদর্শন করে তার প্রতিটি মুহূর্ত আল্লাহর দৃষ্টি আকাশে পৌঁছায়। এমনকি মানুষের নিকট মুখের স্বাভাবিক গন্ধ অপরিসীম হলো আল্লাহর কাছে সেই স্বাভাবিক গন্ধ প্রশংসিত এবং পবিত্র হিসাবে গণ্য হয়। এ কারণে রোজা রাখার সময় ব্যক্তির সর্বদা নৈতিক ও আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ থাকে। রোজাদারের নেক মনোভাব দোয়া ও সৎ আচরণ এই সুগন্ধিকা আরও বৃদ্ধি করে যা তাকে আধ্যাত্মিকভাবে উন্নত করে এবং আল্লাহ সন্তুষ্ট অর্জনে সাহায্য করে।
রোজাদার দোয়া কবুল হয়
রমজান মাসে রোজাদারের দোয়া আল্লাহর কাছে বিশেষভাবে গ্রহণযোগ্য হয়। কারণ এই মাসে
রোজা শুধু মাত্র ক্ষুধা ও তৃষ্ণা সহ্য করা নয় বরং আত্ম সংযম তাকওয়া এবং আল্লাহর
সন্তুষ্ট অর্জনের এক অনন্য মাধ্যম। যখন একজন রোজাদার আন্তরিকভাবে দোয়া করে
ইফতারের সময় ১২ রমজানের অন্য সময় তখন আল্লাহ প্রত্যাখ্যান করেন না। দুয়া তার
অন্তরের অনুভূতি প্রার্থনা এবং বিশ্বাসের প্রকাশ যা আল্লাহর কাছে সশ্রদ্ধ ভাবে
পৌঁছায়। তাই রোজাদারের ব্যক্তি যদি তার প্রয়োজনে ক্ষমা বানেক কাজের জন্য দোয়া
করে আল্লাহ কবুল করা সম্ভব না অনেক বেশি। এই কারণে রমজানকে দোয়ার মাছ বলা হয়
যেখানে প্রতিটি দোয়া বিশেষ গুরুত্ব পায় এবং রোজাদারের আধ্যাত্মিক অবস্থাকে আরও
দৃঢ় করে তোলে।
রোজা রেখে শরীর ও আত্মার যাকাত প্রদান
অনেকে মনে করে রমজান মাসে রোজা রেখেছে না খেয়ে থেকে। রমজান মাসে রোজা রাখা কেবল খুদা বা তৃষ্ণা সহ্য করার নাম নয় এটি শরীর ও আত্মার জন্য এক ধরনের আধ্যাত্মিক যাকাত। শরীরকে নিজস্ব নিয়ন্ত্রণে রাখা,নফসকে শান্ত করা এবং খারাপ অভ্যাস থেকে বিরত থাকা এ সকলেই রোজার মাধ্যমে অর্জিত হয়। একজন রোজাদার যখন সারাদিন খাবার ও পানি থেকে বিরত থাকে তখন তার শরীর শারীরিকভাবে সুস্থ থাকে এবং আত্মা নিয়ন্ত্রণে শক্তিশালী হয়।
আরো পড়ুনঃ
তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার ফজিলত
এ ধরনের আত্ম সংযমের মাধ্যমে ব্যাক্তি আলো অন্যকত লাভ করে এবং নৈতিকভাবে পবিত্র
হয়। একই সঙ্গে রোজা সামাজিক দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। রোজাদার তার অভিজ্ঞতা
থেকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কষ্ট অনুভব করে যা দান সাতখকা ও সাহায্যের মাধ্যমে
আধ্যাত্মিক যাকাতের অংশ হয়ে ওঠে। এটি কেবল ব্যক্তিগত নেট নয় বরং সমাজের জন্য
উপকারী। এভাবে রোজা শরীর মন এবং সমাজের জন্য একসাথে শিক্ষা নৈতিকতা ও সহমর্মিতা।
তাই বলা যায় রোজা রাখা মানে শরীরের নিয়ন্ত্রণ এবং আত্মার যাকাত প্রদান যা
আল্লাহ সন্তুষ্ট অর্জনের একটি অনন্য মাধ্যম।
উপসংহার রমজান মাসে রোজা রাখার ফজিলত ও গুরুত্ব
রমজান মাস আমাদের জন্য বরকতের মাস। এ মাসে আমরা সবদিক থেকেই বরকত পাই এমনকি
আল্লাহর রহমত পাওয়ার আশা থাকে। রমজান মাসে রোজা রাখার পাশাপাশি নফল ইবাদত কোরআন
পড়া নামাজ পড়া তারাবি পড়া এগুলো আমাদের ওপর গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রমজান মাসে
আল্লাহর কাছাকাছি যেতে হলে বা রহমত পেতে হলে অবশ্যই এগুলো আমাদের করতে হবে। রমজান
মাসে আরেকটি নফল ইবাদতের হচ্ছে ইত্তেকাফ করা। কারণ আমরা সকল মমিন মুসলমান
চাই রমজান মাসে আল্লাহর রহমত পেতে এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি। তাই আমাদের
রমজান মাসে সকলে মিলে চেষ্টা করি রোজা রাখার পাশাপাশি রমজানের নকল ইবাদত
গুলো শুদ্ধভাবে করতে। এবং আল্লাহর কাছাকাছি যাওয়ার বিশেষ সুযোগ যেন হাতছাড়া না
হয়। রমজান মাসে রোজা রাখার ফজিলত ও গুরুত্বগুলো ঈমানের সহিত করার চেষ্টা।
ধন্যবাদ

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url