ইতালিতে কোন কাজের চাহিদা বেশি জানতে কি আপনার আগ্রহী? যদি আগ্রহী হয়ে
থাকেন তাহলে আপনাদের বলব আপনারা এই আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে
পড়লেই এই বিষয়ে সম্পূর্ণ রূপে ধারণা পাবেন।
কারণ এখানে আমরা আপনাদের জানাবো ইতালিতে কোন কাজের চাহিদা বেশি ও কোন
কোন কাজের বেতন কেমন এবং সেই সাথে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধার নিয়ে আলোচনা করব।
তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক এই সম্পর্কে বিস্তারিত।
ইতালিতে কোন কাজে চাহিদা বেশি এটা জানা প্রত্যেক শ্রমিকের প্রয়োজন। কারণ
ইতালিতে সব ধরনের কাজের চাহিদা থাকে না। তাই যারা ইতালিতে কাজ করতে যেতে চান
তাদেরকে অবশ্যই এর পূর্বে জানতে হবে ইতালিতে কন কোন কোন কাজে চাহিদা বেশি।
সরকার তাদের কোন কাজের জন্য বাইরের দেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে থাকে।
ইতালি একটি উন্নত মানের দেশ। সেখানে তাদের কাজের জন্য বাইরে দেশ থেকে প্রতিবছর
শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে থাকে। যার কারণে বাংলাদেশ থেকে বহু লোক তাদের আর্থিক ও
পারিবারিক সমস্যা মিটানোর জন্য ইতালিতে পাড়ি দিয়ে থাকি। তাই তাদের জন্য
আমরা এই আর্টিকেলে খুব সুন্দর ভাবে ব্যাখ্যা করব ইতালিতেই কোন কাজের চাহিদা
বেশি এবং সরকার কোন কোন কাজে বেশি নিয়োগ দিয়ে রাখি সে সম্পর্কে।
ইতালিতে যেসব কাজে চাহিদা বেশি আলোচনা করা হলো ঃ
১. কেয়ারগিভার ও বৃদ্ধদের সেবার কাজ
ইতালিতে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেশি হওয়ায় কেয়ারগিভারের চাহিদা প্রতিনিয়ত
বাড়ছে। বিদেশি কর্মীদের জন্য এটি অন্যতম জনপ্রিয় ও সহজে পাওয়া যায় এমন
চাকরি।
২. ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনিশিয়ান
মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং CNC মেশিন অপারেটর,
মেইনটেন্যান্স টেকনিশিয়ানদের ইতালিতে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর
ইতালির শিল্পাঞ্চলে এসব পেশার সুযোগ বেশি। তাই ইঞ্জিনিয়ারিং কাজে যেতে
চাই তারা এই ফ্যাক্টরি যেতে পারেন।
৩. নির্মাণ কাজ
বাড়ি, সড়ক ও বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে দক্ষ ও অদক্ষ উভয় ধরনের কর্মীর
প্রয়োজন হয়। রাজমিস্ত্রি, টাইলস মিস্ত্রি, পেইন্টার ও প্লাম্বারের চাহিদাও
অনেক বেশি।
৩. কৃষি ও মৌসুমি কাজ
আঙ্গুর, জলপাই, টমেটোসহ বিভিন্ন ফসলের মৌসুমি চাষে প্রতি বছর হাজারো শ্রমিক
নিয়োগ করা হয়। বিদেশি কর্মীদের জন্য কৃষিখাত একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসংস্থানের
উৎস।
৪. হোটেল ও রেস্টুরেন্টের কাজ
ওয়েটার, শেফ, কিচেন হেলপার, হাউসকিপিং ও রিসেপশনিস্টসহ বিভিন্ন পদে কর্মীর
চাহিদা রয়েছে। পর্যটন শিল্প শক্তিশালী হওয়ায় এই খাতে নিয়মিত নিয়োগ হয়।
৫. ফ্যাক্টরি ও উৎপাদন কাজ
খাদ্য, পোশাক, যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য উৎপাদন কারখানায় অপারেটর, প্যাকেজিং ও
মেশিন পরিচালনার কাজে কর্মী নিয়োগ করা হয়। অভিজ্ঞদের পাশাপাশি নতুনদেরও সুযোগ
থাকে।
৬. নার্স ও স্বাস্থ্যসেবা খাত
হাসপাতাল, ক্লিনিক ও বৃদ্ধাশ্রমে নার্স, কেয়ার অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং অন্যান্য
স্বাস্থ্যকর্মীর চাহিদা অনেক বেশি। এই খাতে যোগ্যতা ও ইতালীয় ভাষার দক্ষতা
থাকলে ভালো সুযোগ পাওয়া যায়।
৭. আইটি ও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
সফটওয়্যার ডেভেলপার, সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ, ডেটা ইঞ্জিনিয়ার ও ওয়েব
ডেভেলপারের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। প্রযুক্তি খাতে দক্ষতা থাকলে আকর্ষণীয় বেতনে
চাকরি পাওয়ার সুযোগ
৮, পরিচ্ছন্নতা ও হাউসকিপিং কাজ
হোটেল, অফিস, হাসপাতাল, শপিং মল এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ক্লিনার ও হাউসকিপিং
কর্মীর নিয়মিত চাহিদা রয়েছে। এই ধরনের কাজে নতুন বিদেশি কর্মীরাও সহজে সুযোগ
পেয়ে থাকেন এবং অভিজ্ঞতা বাড়লে বেতনও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।
৯, ওয়েল্ডারের কাজ
কারখানা, জাহাজ নির্মাণ ও নির্মাণ খাতে দক্ষ ওয়েল্ডারের প্রয়োজন হয়। আধুনিক
ওয়েল্ডিং প্রযুক্তি জানলে চাকরির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পায়।
১০. সেলস অ্যাসিস্ট্যান্ট ও সুপারমার্কেট কর্মী
সুপারমার্কেট, শপিং সেন্টার ও খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠানে ক্যাশিয়ার, সেলস
অ্যাসিস্ট্যান্ট, স্টোরকিপার এবং শেলফ সাজানোর কর্মীদের নিয়মিত চাহিদা থাকে।
বিদেশি কর্মীদের জন্যও এই খাতে সুযোগ রয়েছে।
ইতালিতে বেশি চাহিদের কাজগুলো কিভাবে পাবেন
প্রিয় পাঠকেরা, উপরে আপনাদের জানতে পেরেছেন যে ইতালিতে কোন কোন কাজের
চাহিদা বেশি। এখন আপনারা জানতে পারবেন ইতালিতেই বেশি চাহিদের কাজগুলো কিভাবে
পাবেন। যদি আপনি একজন দক্ষ শ্রমিক হয়ে থাকেন তাহলে আপনি ইতালিতে যাওয়ার পর পরেই
আপনার দক্ষতা অনুযায়ী আপনাকে কাজ দেওয়া হবে। তাই এটি নির্ভর করছে আপনার
কাজের দক্ষতা ও ধরণের উপর।
কিন্তু অনেকেই ভাবছেন যে আমার তো দক্ষতা রয়েছি আমি কিভাবে ওখানে গিয়ে কাজ
পাব। চিন্তা করার কিছু নেই। আপনি যে বিষয়ে বা যে কাজে বেশি দক্ষতা রয়েছে
আপনি সেই কাজের উপরে ভিসা করে গেলে খুব সহজে আপনি সেই কাজ পেয়ে যাবেন। ইতালি
যাওয়ার পূর্বে আপনি কাজের উপর নির্ভর করে ভিসা তৈরি করবেন। ধরেন আপনি কৃষি কাজ
পারেন তাহলে আপনি এই ধরনের ভিসা নিয়ে সেই দেশে যাবেন। তাহলে খুব সহজে
সেখানে গিয়ে কাজ পাবেন আশা করা যায় ।
ইতালিতে কোন কাজে বেতন কত বিস্তারিত জানুন
আপনার এই পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এখন আপনাদের
কোন কাজের বেতন কেমন সেই সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দিবো। কারণ প্রত্যেক
শ্রমিকের এই সম্পর্কে জানা খুবই জরুরী। যখন তারা কাজের জন্য যাবে তাদের জানা উচিত
কোন কাজের বেতন কত না হলে অনেকেই তাদের সাথে প্রতারণা করে টাকা নিয়ে নিতে
পারে। তাই আপনাদের সুবিধার্থে জন্য সব কাজের বেতন বিস্তারিত দেওয়া হল নিচেঃ
কাজের নাম
আনুমানিক মাসিক বেতন বাংলাদেশি টাকা
প্রয়োজনীয় দক্ষতা
কেয়ারগিভার
১ লাখ ৪০ হাজার টাকা – ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা
বৃদ্ধদের সেবা, ইতালিয়ান ভাষার মৌলিক জ্ঞান
নির্মাণ শ্রমিক
১ লাখ ৯৬ হাজার টাকা – ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা
নির্মাণ কাজের অভিজ্ঞতা, শারীরিক সক্ষমতা
কৃষি শ্রমিক
১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা – ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা
কৃষিকাজের অভিজ্ঞতা, পরিশ্রমী
হোটেল ও রেস্টুরেন্ট কর্মী
১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা – ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা
গ্রাহকসেবা, ভাষাজ্ঞান
ফ্যাক্টরি কর্মী
১ লাখ ৯৬ হাজার টাকা – ৩ লাখ ২২ হাজার টাকা
মেশিন পরিচালনা, উৎপাদন কাজ
নার্স
২ লাখ ৮০ হাজার টাকা – ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা
নার্সিং ডিগ্রি, লাইসেন্স
সফটওয়্যার ডেভেলপার
৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা – ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা
প্রোগ্রামিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
ইঞ্জিনিয়ার
৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা – ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা
ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ও অভিজ্ঞতা
ট্রাক ড্রাইভার
২ লাখ ৫২ হাজার টাকা – ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা
বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স
ইলেকট্রিশিয়ান
২ লাখ ৫২ হাজার টাকা – ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা
বৈদ্যুতিক কাজের দক্ষতা
প্লাম্বার
২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা – ৩ লাখ ৯২ হাজার টাকা
পাইপলাইন স্থাপন ও মেরামত
ওয়েল্ডার
২ লাখ ৫২ হাজার টাকা – ৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা
ওয়েল্ডিং দক্ষতা ও সার্টিফিকেট
ওয়্যারহাউস কর্মী
১ লাখ ৮২ হাজার টাকা – ৩ লাখ ৮ হাজার টাকা
প্যাকেজিং, স্টক ব্যবস্থাপনা
ক্লিনিং স্টাফ
১ লাখ ৪০ হাজার টাকা – ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা
পরিচ্ছন্নতা ও সময়নিষ্ঠা
সিকিউরিটি গার্ড
১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা – ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা
নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ, সতর্কতা
ইতালিতে সর্বনিম্ন বেতনের কাজ ও বেতন কত
ইতালিতে সর্বনিম্ন বেতনের কাজগুলোর মধ্যে সাধারণত কৃষি শ্রমিক, ক্লিনিং স্টাফ,
হোটেল বা রেস্টুরেন্টের সহকারী, মৌসুমি ফল সংগ্রহের কাজ এবং কিছু গৃহস্থালি কাজ
যেমন ক্লিনার উল্লেখযোগ্য। এসব কাজে সাধারণত বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন
হয় না, তাই নতুন বিদেশি কর্মীরা সহজেই সুযোগ পেয়ে থাকেন।
কাজের ধরন ও কর্মঘণ্টার ওপর নির্ভর করে মাসিক বেতন সাধারণত ১,০০০ থেকে
১,৩০০ ইউরোর মধ্যে থাকে, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে ১ লাখ
৮২ হাজার টাকা।
তবে সর্বনিম্ন বেতনের কাজ হলেও অনেক প্রতিষ্ঠান ওভারটাইম, থাকা-খাওয়া বা
অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে, ফলে মোট আয় কিছুটা বেড়ে যেতে পারে।
অভিজ্ঞতা অর্জন, ইতালীয় ভাষা শেখা এবং কাজের দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে
পরবর্তীতে একই খাতে আরও ভালো বেতনের চাকরি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। তাই শুরুতে
কম বেতনের কাজ করলেও ভবিষ্যতে আয় বাড়ানোর সম্ভাবনা ভালো থাকে।
বাংলাদেশ থেকে ইতালি যাওয়ার উপায়
বাংলাদেশ থেকে ইতালি যাওয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বৈধ উপায় হলো ওয়ার্ক ভিসা,
স্টুডেন্ট ভিসা, পরিবার পুনর্মিলন ভিসা এবং ব্যবসায়িক ভিসা। এর মধ্যে ওয়ার্ক
ভিসার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি ইতালি যান।
ইতালির কোনো নিয়োগকর্তা যদি আপনাকে চাকরির অফার দেন এবং আপনার জন্য ওয়ার্ক
পারমিট (Nulla Osta) অনুমোদন করান, তাহলে সেই অনুমোদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশে
ইতালির ভিসার জন্য আবেদন করা যায়। ইতালিতে প্রতিবছর নির্দিষ্ট কোটার আওতায়
বিদেশি কর্মী নেওয়া হয়, যা "Decreto Flussi" নামে পরিচিত।
ইতালি যাওয়ার আগে অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সত্যতা যাচাই
করা চাকরির অফার নিশ্চিত করতে হবে। কোনো দালাল বা অবৈধ মাধ্যমের ওপর নির্ভর না
করে সরকারি নিয়ম মেনে আবেদন করাই সবচেয়ে নিরাপদ।
ভিসা অনুমোদনের পর বিমান টিকিট করে ইতালি গিয়ে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী
বসবাস ও কাজ শুরু করা যায়। সঠিক প্রস্তুতি, প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং বৈধ
প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে বাংলাদেশ থেকে ইতালি যাওয়া অনেক সহজ হয়।
বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে যেতে কত টাকা লাগবে
বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে যেতে মোট কত টাকা লাগবে, তা মূলত ভিসার ধরন, বিমান ভাড়া
এবং অন্যান্য খরচের ওপর নির্ভর করে। বৈধ ওয়ার্ক ভিসায় গেলে সাধারণত সরকারি
ভিসা ফি, কাগজপত্র, মেডিকেল, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, অনুবাদ, ভিসা প্রসেসিং এবং
বিমান ভাড়াসহ মোট খরচ প্রায় ৩ লাখ থেকে ৬ লাখ টাকার মধ্যে হতে পারে। তবে কোনো
রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে গেলে তাদের সার্ভিস চার্জের কারণে মোট খরচ আরও
বাড়তে পারে।
কাজের নাম
আনুমানিক মোট খরচ বাংলাদেশি টাকা
কী কী খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে
কেয়ারগিভার
৩ লাখ – ৫ লাখ টাকা
পাসপোর্ট, ভিসা ফি, ওয়ার্ক পারমিট, মেডিকেল, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স,
অনুবাদ, বিমান ভাড়া
কৃষি শ্রমিক
৩ লাখ – ৪.৫ লাখ টাকা
পাসপোর্ট, ভিসা, মেডিকেল, ওয়ার্ক পারমিট, বিমান ভাড়া, কাগজপত্র
নির্মাণ শ্রমিক
৩.৫ লাখ – ৫.৫ লাখ টাকা
ভিসা ফি, ওয়ার্ক পারমিট, মেডিকেল, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, বিমান ভাড়া
হোটেল ও রেস্টুরেন্ট কর্মী
৩.৫ লাখ – ৬ লাখ টাকা
ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট, মেডিকেল, কাগজপত্র, বিমান ভাড়া
ফ্যাক্টরি কর্মী
৩.৫ লাখ – ৬ লাখ টাকা
পাসপোর্ট, ভিসা ফি, ওয়ার্ক পারমিট, মেডিকেল, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স,
বিমান ভাড়া
ইতালিতে কি সত্যি কাজ পাওয়া সহজ
অনেকেই ভাবছেন ইতালিতে কি কাজ পাওয়া আদৌ সম্ভব? নাকি শুধু কল্পনা? তাদের জন্য
আমরা আজকে বলবো হ্যাঁ সত্যিই ইতালিতে কাজ পাওয়া সহজ। যদি আপনাদের দক্ষতা থেকে
থাকে তাহলে আপনারা খুব সহজে আপনাদের দক্ষতার উপর ভিত্তি করে কাজ পেয়ে থাকবেন।
প্রতিটি জিনিস পেতে হলে তার জন্য আগে প্রয়োজন দক্ষতা ।
বাংলাদেশ থেকে অনেকেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশ যেমন ইতালিতে যাই কাজের জন্য কিন্তু
অনেকে আছেন যারা সেই দেশের ভাষা না শিখে কাজ করতে চলে যায় খুব সহজে কাজ পায় না।
এর জন্য তাদের প্রয়োজন আগে কাদের জন্য সে দেশের ভাষা কে শিখে ফেলা।
যাতে করে খুব সহজেই তারা কাজের জন্য প্রয়োজনে কথা বলতে পারে।
তাছাড়া এমন কতগুলো কাজ রয়েছে যেগুলো পাওয়ার জন্য শিক্ষাগত দক্ষতার প্রয়োজন
হয়। তাই যারা ইতালিতে কাজ করতে যেতে চান তার অবশ্যই তাহলেও শিক্ষাগত অর্জন করা
উচিত। কারণ প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে এখন দক্ষ জ্ঞানের প্রয়োজন হয়ে থাকে।
তাই আমি বলব যে ইতালিতে কাজ পাওয়া সহজ তাদের জন্য যাদের রয়েছে জ্ঞানে ও
দক্ষতা।
ইতালি এক টাকা বাংলাদেশের কত টাকা
বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী,
ইতালির ১ ইউরো = প্রায় ১৪০ বাংলাদেশি টাকা । অর্থাৎ
১ ইউরো = ১৪০ টাকা
১০ ইউরো =১,৪০০ টাকা
১০০ ইউরো = ১৪,০০০ টাকা
১,০০০ ইউরো = ১,৪০,০০০ টাকা
বিনিময় হার প্রতিদিন পরিবর্তিত হয়, তাই প্রকৃত রেট ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ
অনুযায়ী কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।
উপসংহারঃইতালিতে কোন কাজের চাহিদা বেশি
ইতালিতে কোন কাজের চাহিদা বেশি এই সম্পর্কে ইতিমধ্যে আপনারা বিস্তারিতভাবেই
ধারণা পেয়েছেন। তাই আপনাদের এখন কিছু উপদেশ মূলক কথা বলব যেগুলো আপনারা যদি মেনে
চলেন তাহলে আশা করা যায় খুব সহজে ইতালিতে কাজ পাবেন। আপনারা যদি উপরের উপায়
গুলো কাজে লাগাতে পারেন সেই সাথে দক্ষতা থাকে তাহলে ইতালিতে যেকোনো ধরনের কাজ
আপনারা করতে পারবেন।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url